নতুন কবি

নতুন অনেকেই কবিতা লিখছেন আমাদের ফেসবুক পেজ-এ। সেখান থেকেই নির্বাচিত কিছু কবিতা এখানে দেওয়া হল। আপনারা পড়ে চলে যাবেন না। কমেন্ট করুন।

সারাকাল বৃষ্টি – সুনীতি দেবনাথ

পরিত্যক্ত বিকেলে একটি ঝাঁক বৃষ্টি
হুড়মুড় করে ঝাঁপিয়ে পড়লো এসে।
সাত তাড়াতাড়ি গোধূলি রঙবাহার
পাহাড়ি আলখাল্লায় লুকিয়ে পড়লো,
পাহাড় জবুথবু যেন জানে না কিছু।
এবার বৃষ্টি কেবল বৃষ্টি ঝমাঝম —Read More »সারাকাল বৃষ্টি – সুনীতি দেবনাথ

খাঁটিকথা – অমিয় আদক

জায়গাটা খাগড়া, ভূতেদের আখড়া।
সেখানে হয়না ভাই ভূতেদের ঝগড়া।
যেই গেছি আখড়ায়, আমাকেই পাকড়ায়
ভূতের চৌকিদার, সে কেবল দাবড়ায়।
আমি তো পাইনি ভয়, ভয়কে করেছি জয়।Read More »খাঁটিকথা – অমিয় আদক

এলোমেলো ছড়া – অমিয় আদক

হাতে কাগজের তাড়া, তাতেই আছে ছড়া।
দেখেই তোমার চোখ দু’খানি হল ছানা বড়া?
ভুতের মাসি ভুতের পিসি ভুতের বেন্দাবন,
আমার হাতের ছড়ার তাড়া আমার বড় ধন।
পেত্নি মাসি আসে, বসে মাঠের ঘাসেRead More »এলোমেলো ছড়া – অমিয় আদক

প্রজন্ম – সুনীতি দেবনাথ

ইউক্যালিপটাসের সরু দীঘল পাতা পিছলে
সকালের চৈতী রোদ্দুর ছলকে ঝাঁপিয়ে পড়লো
টংঘরের দুয়ারে চিত্রার্পিত ধনবতী রিয়াংএর পেটে।
চার চারটে সুদীর্ঘ দিন রাত নৌকো বেয়ে পার হলো
ফেরেনি মরদ চাল নিয়ে উপরের লুসাই বস্তি থেকে,Read More »প্রজন্ম – সুনীতি দেবনাথ

চে গেভারা – সুনীতি দেবনাথ

এবং তাঁকে হত্যা করা হল—
লা ইগেরার ছোট্ট স্কুল ঘরে
পাহাড় অরণ্যের যুগলবন্দীর মাঝখানে।
হত্যাকারী রেঞ্জার ছদ্মবেশী তিন অফিসার
সাম্রাজ্যবাদীর তল্পিবাহক আর এক সি আই এ এজেন্ট।Read More »চে গেভারা – সুনীতি দেবনাথ

আষাঢ়ে ছড়া – অমিয় আদক

মিতুল ডাকে পুতুলদিকে শোনাতে তার ছড়া,
এই ছড়াটা সবার কাছে যাবে না যে পড়া।
আষাঢ় মাসে রাজস্থানে হল বিরাট বান,
চিতোর গড়ের মানুষরা সব হাবুডুবু খান।
কাশ্মীরেতে বালির পাহাড়, নেই তো বরফ মোটে,
ডাল হ্রদেতে উটের দৌড় দেখে সময় কাটে।Read More »আষাঢ়ে ছড়া – অমিয় আদক

আমার সোনা – অমিয় আদক

আমার সোনা চাঁদের কণা,
করছে ভালোই পড়াশোনা।
ইংরেজি তার ভালোই জানা,
মায়ের ভাষা চাখেনা।
তাই বাঙলা তেমন শেখে না।Read More »আমার সোনা – অমিয় আদক

দহনবেলা – সুনীতি দেবনাথ

প্রেমে স্বাচ্ছন্দ্যে বৈভবে থেকেও দেখেছি
কোন আগুনে না পুড়েও বুকে ছিল তাঁর
অনির্দেশ্য অনির্বচনীয় কোন এক দহনজ্বালা
তাই হঠাৎ রাতের আঁধারে নাক্ষত্রিক আকাশেRead More »দহনবেলা – সুনীতি দেবনাথ

আজকের অপুরা – অমিয় আদক

তেলচিটে আকাশের বেড়া ভেঙে
আলোর গোল্লা খানা ওঠে নামে।
দিন শুরু, শেষ হয় দিন।
নীলচে কালচে হয়ে ফুটে ওঠে আকাশে,
অপুদের স্বপ্ন হয়ে গেছে ফ্যাকাসে।
আকাশের নীল রঙ কবে গেছে হারিয়ে,
অপুদের স্বপ্ন কবে গেছে ফুরিয়ে।Read More »আজকের অপুরা – অমিয় আদক

ফসল – হরেকৃষ্ণ দে

তোর হাতটা একবার দে,
তোকে এনে দেব
পা পা চো চো করা একটা
সকাল।
লাল ববি প্রিন্টের
বর্ডারে লিখে দেব
বাল্যের দুষ্টুমি গুলো।Read More »ফসল – হরেকৃষ্ণ দে

কালপুরুষ – সুনীতি দেবনাথ

কোন্ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছ তুমি
হে কালপুরুষ! কালের অতন্দ্র প্রহরী!
সেজেছো কী অদ্ভুত অলৌকিক সাজে,
তোমার ভয়াবহ প্রস্তুতি কাঁপিয়ে দেয়
আমাকে আমার লৌকিক এই জগতকে,
বিড়ম্বিত অস্তিত্ব নিয়ে আমি রুদ্ধশ্বাস!Read More »কালপুরুষ – সুনীতি দেবনাথ

অনলাইনে পূজো – অমিয় আদক

বলছি আমি দুগ্‌গা ঠাকুর, মনটি দিয়ে শোন,
আমায় দেখতে না পেয়ে সব, ভয় পেওনা যেন।
এবার পুজোয় সপরিবার, মর্তে যাবই না,
বিষ ভরপুর হাই-ব্রিডেরই ফল তো খাবই না।
গণেশ আমার বড়ই পেটুক, সেও যেতে নয় রাজী।Read More »অনলাইনে পূজো – অমিয় আদক

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার
ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার
সাধ ছিল তার
মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন
জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের
সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল
সে বুঝতে পারল আকাশের অনেক কাছাকাছি আছেRead More »আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালা

একটা রক্ত করবী ফুটবে বলে
                                দাঁড়িয়ে আছি
ঋতু আসে ঋতু যায়
ভীড় ঠেলা ট্রাম ব্যস্ত মানুষ
সব পেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি
ঝুপ করে ফের সন্ধ্যা নামে
ক্লান্ত পাখির ডানার ঝাঁপটা
শুনতে শুনতে দাঁড়িয়ে আছি
এই শহরে আবারও ফের
বসন্তেরই অপেক্ষাতে
                                দাঁড়িয়ে আছিRead More »একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালা

কবিকে দুঃখ দিওনা — মাহ্ফুজ রাজন

কবিকে দুঃখ দিওনা হে নারী
লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে দিতে পারে সে,
রটিয়ে দেবে গ্রহ, নক্ষত্রে
গ্রামে, গঞ্জে, শহরে, বন্দরে।
এগুতে পারবেনা এক পা’ও
পেছানোরও পথ বন্ধ পাবে।Read More »কবিকে দুঃখ দিওনা — মাহ্ফুজ রাজন

এলোমেলো প্রেম – মাহ্ফুজ রাজন

( ১ )
আকাঙ্ক্ষার ঝুল বারান্দায়
যখন দেখা হয় রোজ,
মেয়েটি হয়ে যায় কিশোরী
আর ছেলেটি
চল্লিশ বছরের কিশোর।।Read More »এলোমেলো প্রেম – মাহ্ফুজ রাজন

স্মৃতি রোমন্থন – মাহ্ফুজ রাজন

মনে পড়ে
সূর্যাস্তের এক বিকেল বেলায়
একজোড়া হাত আমায় ছুঁয়ে বলেছিল,
ভুলে যাবেনাতো ?
আমি মৃদু হেসে বলেছিলাম,
ভালো যে বাসেনা সে তো
চোখের তারায় সন্ধেহের ছবি আঁকবেই।
অমনি তুমি
গোমড়া মুখে পেছন ফিরেছিলে।
কারণ, তুমি জানতেRead More »স্মৃতি রোমন্থন – মাহ্ফুজ রাজন

নারীর জন্য পংক্তিমালা (২) — মাহ্ফুজ রাজন

ও মেয়ে, তুমি অমন কাঁদো কেন ?
রচনা করো কেন অমন
দুঃখী নিঃশব্দের কবিতা ?
তোমার একেকটি কান্নার মুহূর্ত
বিষন্ন করে তোলে চারধার ,
প্রকৃতির বেহালায় বাজে যেন
দূর অতীতের কষ্টের সুর।Read More »নারীর জন্য পংক্তিমালা (২) — মাহ্ফুজ রাজন

নারীর জন্য পংক্তিমালা (১) — মাহফুজ রাজন

একটি নারী –
হতে পারে সে স্মৃতিকণা, সীমা
জোস্না অথবা অরুণিমা,
কীইবা যায় আসে তাতে,
নারী সে, কেবলি নারী।
জল্লাদ বাহিনীর পদচারনা
যার চতুর্দিক ঘিরে Read More »নারীর জন্য পংক্তিমালা (১) — মাহফুজ রাজন

সম্পর্ক – রামকৃষ্ণ প্রধান

একদিন ভোরে উঠে দেখি
মুছে গেছে রক্তের ডোর
আর একদিন ছোট ছোট স্নেহের বাঁধন
প্রাচীন অথচ এই নবীন স্বার্থ
বাস করে সম্পর্কের অনুভূমিক তলে ।
গলা জড়িয়ে চুমু দেয় প্রেম Read More »সম্পর্ক – রামকৃষ্ণ প্রধান

দেশ খোঁজা মানুষ – রামকৃষ্ণ প্রধান

তৃতীয় বিশ্বের এক কবি পড়ন্ত বিকেলে
নতুন ভাড়াটের সাথে খোশ গল্প করছে
এই পৃথিবীতে যাদের দেশ নেই
তাদের জন্য ফুলে ফুলে উঠছে চিন্তন কোশগুলি
হৃদয়ের নীল স্পন্দনে রোহিঙ্গাদের ঘর
কফির তলানিতে ঠেকেছে । Read More »দেশ খোঁজা মানুষ – রামকৃষ্ণ প্রধান

সারোগেসি – রামকৃষ্ণ প্রধান

আমার মা বাবার মধ্যে
খদ্দের আর দোকানদারের সম্পর্ক
একে অপরকে ভালোবাসেনি কখনো ।
বেশ্যারা শরীর বেচে ক্ষনিকের জন্য
আমার মা শরীর, মন বেচেছিল
পুরো দশমাস দশদিনের জন্য । Read More »সারোগেসি – রামকৃষ্ণ প্রধান

ভালবাসা – পরিজিৎ মিদ্যা

ভালোবিছানার প্রতি ভাঁজে
লালসা নগ্ন সাজে
শরীরে জাগে কত ভাষা।
রাত এলে হয়রানি
দেয় যৌনতা হাতছানি
এটাই নাকি ভালবাসা।Read More »ভালবাসা – পরিজিৎ মিদ্যা

একলা চলা – জয়া গুহ (তিস্তা)

কিছু টা পথ একলা চলতে হয়
ছোট্ট বেলায় এক্কা-দোক্কায়
কিছু রাখা ছিল শিউলিতলায়
কুলের আচার, পুতুল খেলায়
তারপরে মেয়ে ছাদনা তলা-
ভাতের হাঁড়ি, উনুন -কড়া
আর তাছাড়া?
পুকুর পাড়ে বাজছে নূপুর Read More »একলা চলা – জয়া গুহ (তিস্তা)

আরামের মেয়ে – জয়া গুহ (তিস্তা)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানী সেনাদের ‘কমফর্ট’ এর জন্য লক্ষ লক্ষ কোরিয়ান মেয়েদের যৌনদাসী করে পাঠানো হয়েছিল।তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে লেখা।

বেহুলা সতীর ভেলায় উঠেছে
লখীন্দরের লাশ
সীতার চিতায় জ্বলছে আগুন
পোড়েনি এখনো আশ
নারী মাতা হল,কন্যা,দয়িতা
নারী আরামের মেয়েRead More »আরামের মেয়ে – জয়া গুহ (তিস্তা)

একটি ভ্রূণের আত্মকথা – জয়া গুহ (তিস্তা)

নারী পুরুষ ভালোবাসায়
ফুলের কুঁড়ি শিশু
অদেখা এই আলোর কণা
ভবিষ্যতের যীশু

সবেই আমি ছোট্ট কুঁড়ি
সবেই তুমি ‘মা’
আগামীর সম্ভাষণে
একটি মাসে পাRead More »একটি ভ্রূণের আত্মকথা – জয়া গুহ (তিস্তা)

লহ প্রণাম – জয়া গুহ (তিস্তা)

রাত জেগে আছে ভোরের আলিঙ্গনে
প্রিয়ার আঁচল রক্তের অভিমানে
হে বীরচক্র প্রণাম তোমায় ছুঁয়োনা কারুর হাত
মৃত্যুর সাথে নব পরিচয়ে প্রেমের সংঘাতRead More »লহ প্রণাম – জয়া গুহ (তিস্তা)