টুটুল দাস

রামধনু – টুটুল দাস

তোর স্নানঘরের টিকটিকি আর
আমার ছাতার নিচে জমে থাকা মৃত অন্ধকার
পাশাপাশি বসলেই একটা রামধনু

‘বেগুনী’
শুষ্ক শ্রাবণের মাথার উপর
তোর ফেলে দেওয়া চুড়িদারের ছাউনি;
আর আমি মেঘ বন্দক রেখে আলগোছে বৃষ্টি খুঁজি
ধেপসে যাওয়া নেলপালিশে।  Read More »রামধনু – টুটুল দাস

তৃণভোজী – টুটুল দাস

মৃত্যুর আরেক নাম বৃত্ত
বৃহত্তম জ্যা’তে টাঙিয়ে দাও পুরানো অন্তর্বাস।

বুকের গভীরতা খুঁজতে যে হাত ঢুকেছে
সরস্বতীপূজার ব্লাউজে
সে হাতের জলন্ত মোমবাতিতে আর যাই পুড়ুক
শব্দগুচ্ছ পুড়বে না।Read More »তৃণভোজী – টুটুল দাস

জৈবিক অঙ্কের বন্ধনী – টুটুল দাস

যেদিকে চোখ ফেরালে মরুভূমি
যেখানে হাত বাড়ালে কাঁটাতার
সেদিকে মানুষ হেঁটেছে কমই
জমেছে অগোছালো আবদার।Read More »জৈবিক অঙ্কের বন্ধনী – টুটুল দাস

তুই, আমি আর বিষাদ – টুটুল দাস

মন খারাপের এই যে আকাশ
কান্না মুছে যেদিকে তাকাস, কুয়াশা পাবি খুঁজে।

অল্পস্বল্প দিনের আলোয়
রাস্তা জুড়ে মন্দ ভালোয়, হাঁটিস বুঝে সুঝে।Read More »তুই, আমি আর বিষাদ – টুটুল দাস

যে অাঁধার দেখা না গেলেও থাকে – টুটুল দাস

ঝালমুড়ি ঠোঙায়
ছোটবেলার মুখস্থ না হওয়া ছড়া
একযুগ বয়স কমিয়ে দেয়-
নীল ফ্রকের হাত ধরে হাঁটতে থাকা লাল গেঞ্জি
যেন বৃন্দাবন উঠে আসে পাড়ার গলিতে।Read More »যে অাঁধার দেখা না গেলেও থাকে – টুটুল দাস

শীতবিলাস ও বান্ধবীস্কার্ফ – টুটুল দাস

বান্ধবীদের কফির কাপে পৌষ বিকেলের ছায়া
দাস্তানাতে নাক ঢেকেছে, কুয়াশা দিয়ে মায়া।
সন্ধ্যেগুলো বিষমখাওয়া ভীষণ এলোমেলো
কবিকে ছোঁয়ার ভান করে সব আঁধার ছুঁয়ে গেল।
আঁধার মানে মফঃস্বলের রেডিও বাজা রাত
মেসেজ বেয়ে চুইয়ে নামে শীতঘুম অকস্মাৎ। Read More »শীতবিলাস ও বান্ধবীস্কার্ফ – টুটুল দাস

রবীন্দ্রনাথকে খোলা চিঠি – টুটুল দাস

গীষ্ম সকাল জানলা খোলা রোদে
খাক হয়েছে পুড়ে খুচরো অভিমান
মেঘের দেখা নাই তো চৌহদ্দে
জমিয়ে রাখা বৃষ্টি জলে স্নান।
Read More »রবীন্দ্রনাথকে খোলা চিঠি – টুটুল দাস

শুভঙ্করকে খোলা চিঠি – টুটুল দাস

(শ্রদ্ধেয় পূর্নেন্দু পত্রীর অনুপস্থিতির অবলম্বনে)

শুভঙ্কর, কতদিন তোমার চিঠির আশায় আশায় বসে আছি
সে খেয়াল কি তোমার আছে?
পুরানো চিঠি আর কত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়বো শুভঙ্কর?
ময়দানে বসে হাতে হাত রেখে বলেছিলে-

Read More »শুভঙ্করকে খোলা চিঠি – টুটুল দাস