Home / Tag Archives: এই সময়ের কবিতা

Tag Archives: এই সময়ের কবিতা

একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালা

একটা রক্ত করবী ফুটবে বলে                                 দাঁড়িয়ে আছি ঋতু আসে ঋতু যায় ভীড় ঠেলা ট্রাম ব্যস্ত মানুষ সব পেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি ঝুপ করে ফের সন্ধ্যা নামে ক্লান্ত পাখির ডানার ঝাঁপটা শুনতে শুনতে দাঁড়িয়ে আছি এই শহরে আবারও ফের বসন্তেরই অপেক্ষাতে                                 দাঁড়িয়ে আছি

Read More »

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার সাধ ছিল তার মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল সে বুঝতে পারল আকাশের অনেক কাছাকাছি আছে

Read More »

ছেলেটা – শক্তি চট্টোপাধ্যায়

ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে মানুষ ছিলো নরম, কেটে, ছড়িয়ে দিলে পারতো । অন্ধ ছেলে, বন্ধ ছেলে, জীবন আছে জানলায় পাথর কেটে পথ বানানো , তাই হয়েছে ব্যর্থ ।

Read More »

দলিত – সুপ্রতীম সিংহ রায়

বাতাসে ভাসে উচ্চবর্ণ হাওয়া উঠোন জুড়ে সংখ্যালঘু ফুল, এক দেশে,এক সুরে গান গাওয়া “নীচ তুমি”-এটাই তোমার ভুল। ছড়িয়ে পড়ছে ধর্ম ধর্ম গন্ধ বর্ণভেদে ভাঙছে একটা সমাজ,

Read More »

হে রাষ্ট্রযন্ত্র শুনতে পাচ্ছ? – প্রদীপ বালা

(ছত্তিশগড়ে মাওবাদী সন্দেহে পুলিশের ভুয়ো এনকাউন্টারে মৃত ১৯ বছরের বিবেক কোডামাগুন্ডলা – ১৫ই জুন ২০১৫ খবরে প্রকাশিত) বৃষ্টি পড়ছে ঝুম বৃষ্টি পড়ছে হারান মন্ডলের চোখে ঘুম নেই হারান মন্ডল ধানক্ষেতের আলে দাঁড়িয়ে থাকে যুবতী ধানক্ষেত, গা বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল হারান মন্ডলের চোখে ঘুম নেই

Read More »

গ্রেনেড – প্রদীপ বালা

পড়ন্ত বিকেলে যাদের পেচ্ছাব হলুদ হয়ে আসে আর রাত নামলে ফুটপাতে ত্রিফলার আলোয় শুয়ে শুয়ে উঁচু উঁচু ইমারতের ইট খাওয়ার স্বপ্ন দ্যাখে ওই দ্যাখো, দেখতে পাচ্ছ আকাশের গায়ে তাঁদের মুষ্টিবদ্ধ হাত হাতে হাতে সূর্যের গ্রেনেড

Read More »

অ-শেষ – সৃজা ঘোষ

বিকেলের রোদে লাভ নেই খুব আর। রক্ত জমে না কাঁচা আলোটুকু পেলে, জীবন জানেনা- ‘সন্ত্রাস কবেকার?’ কতগুলো মাটি জন্ম দিত না ঢেলে… !

Read More »

আমরা – সৃজা ঘোষ

এখান থেকে মাইল খানেক, বইছে জীবন ওতপ্রত- ভেতর ভেতর সবাই একা, রক্ত সাজায় নিজের মত… ‘সহিষ্ণুতা’-য় ভয় করে যার, সভ্যতা তো তাকেই জেতায়। নষ্ট হবার বীজ পুঁতেছে শহর আমার, অন্য কেতায়

Read More »

কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প – রুদ্র মুহান্মদ শহীদুল্লাহ

তাঁর চোখ বাঁধা হলো। বুটের প্রথম লাথি রক্তাক্ত করলো তার মুখ। থ্যাতলানো ঠোঁটজোড়া লালা – রক্তে একাকার হলো, জিভ নাড়তেই দুটো ভাঙা দাঁত ঝরে পড়লো কংক্রিটে।

Read More »

জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী – সুকান্ত ভট্টাচার্য

কত যুগ, কত বর্ষান্তের শেষে জনতার মুখে ফোটে বিদ্যুৎবাণী; আকাশে মেঘের তাড়াহুড়ো দিকে দিকে বজ্রের কানাকানি। সহসা ঘুমের তল্লাট ছেড়ে শান্তি পালাল আজ। দিন ও রাত্রি হল অস্থির কাজ, আর শুধু কাজ!

Read More »

উত্তরাধিকার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

নবীন কিশোর, তোমায় দিলাম ভূবনডাঙার মেঘলা আকাশ তোমাকে দিলাম বোতামবিহীন ছেঁড়া শার্ট আর ফুসফুস-ভরা হাসি দুপুর রৌদ্রে পায়ে পায়ে ঘোরা, রাত্রির মাঠে চিৎ হ’য়ে শুয়ে থাকা এসব এখন তোমারই, তোমার হাত ভ’রে নাও আমার অবেলা আমার দুঃখবিহীন দুঃখ ক্রোধ শিহরণ

Read More »

তোমার দুর্গা আমার দুর্গা – সুব্রত পাল

তোমার দুর্গা মহালয়া ভোরে শরৎ মাখছে গায় আমার দুর্গা এখনো দেখছি ফুটপাতে জন্মায়। তোমার দুর্গা অকালবোধন একশো আটটা ফুল আমার দুর্গা দূর থেকে দ্যাখে খিচুড়ির ইস্কুল। তোমার দুর্গা আগমনী গান গিরিরাজ কন্যার আমার দুর্গা ঘর দোর ভাসা বাঁধ ভাঙা বন্যার।

Read More »

যমুনাবতী – শঙ্খ ঘোষ

One more unfortunate Weary of breath Rashly importunate Gone to her death. – Thomas Hood নিভন্ত এই চুল্লীতে মা একটু আগুন দে আরেকটু কাল বেঁচেই থাকি বাঁচার আনন্দে। নোটন নোটন পায়রাগুলি খাঁচাতে বন্দী দু’এক মুঠো ভাত পেলে তা ওড়াতে মন দি’।

Read More »

বাবুমশাই – শঙ্খ ঘোষ

‘সে ছিল একদিন আমাদের যৌবনে কলকাতা! বেঁচে ছিলাম ব’লেই সবার কিনেছিলাম মাথা আর তাছাড়া ভাই আর তাছাড়া ভাই আমরা সবাই জেনেছিলাম হবে নতুন সমাজ, চোখের সামনে বিপ্লবে বিপ্লবে যাবে খোল-নলিচা

Read More »

একটি কুকুরের বায়োডেটা – সুবোধ সরকার

বাবা জার্মান, মা থাকত এন্টালির গলিতে জন্মের সময় ওজন : ২১/২ পাউন্ড, ডাকনাম জিনা বাড়ির মেয়েরা ডাকে ফুচু, ফুচুমণি, ফুচান… গায়ের রঙ কুচকুচে কালো, লেজ নেই।

Read More »

বাতাসে লাশের গন্ধ – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি, ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে- এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?

Read More »

কথা ছিলো সুবিনয় – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বসবে না, চিত্রল তরুণ হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট।

Read More »