Advertisements
Home / Tag Archives: সমাজের কবিতা

Tag Archives: সমাজের কবিতা

ভালোবাসা থেকে দূরে – অনুব্রতা গুপ্ত

মানুষ ভীষণ কাছে আসে, জড়িয়ে ধরে মৃতের লাশ, মুখ ঢেকে নিই বিজ্ঞাপনে, রুক্ষতাতে মনের শ্বাস। এখন আগুন সামলে চলি, হাওয়ার ভেতর তন্বী মাস, দূরত্বে ভালো আছি, পা বাঁচিয়ে উল্টো পাশ । জ্বরের মুখে কি ঘা এর, সব মানুষই মুখরোচক, দুগ্ধনখর ভাঙার পরেই, জাপটে ধরে মারণরােগ। তখন তোমার চোখের আলো, ঠোটের ...

Read More »

পৃথিবী – নির্মলেন্দু গুণ

তুমি ডেকেছিলে, আমি চলে এসেছিলাম একা । কোনো কিছু সঙ্গে নিইনি, সঙ্গে করে নিইনি পানীয়, তিল-তিসি-তামা বা বিছানা বালিশ, তুমি বলেছিলে সব পাওয়া যাবে, –এ শহর নেশার ও নারীর ।

Read More »

একটি খোলা কবিতা – নির্মলেন্দু গুণ

আসুন আমরা আগুন সম্পর্কে বৃথা বাক্য ব্যয় না করে একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে দিয়ে বলিঃ ‘এই হচ্ছে প্রকৃত আগুন । মীটসেফ খোলা রেখে, বিড়ালকে উপদেশ দিয়ে অযথা সময় নষ্ট ক’রে লাভ নেই, আসুন আমরা মীটসেফের দরোজাটা বন্ধ করে দিই ।’

Read More »

তেজ -দেবব্রত সিংহ

‘মু জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে।

Read More »

আমার কৈফিয়ৎ – কাজী নজরুল ইসলাম

বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই ‘নবী’, কবি ও অকবি যাহা বলো মোরে মুখ বুঁজে তাই সই সবি! কেহ বলে, ‘তুমি ভবিষ্যতে যে ঠাঁই পাবে কবি ভবীর সাথে হে! যেমন বেরোয় রবির হাতে সে চিরকেলে-বাণী কই কবি?’ দুষিছে সবাই, আমি তবু গাই শুধু প্রভাতের ভৈরবী!

Read More »

মানুষ – কাজী নজরুল ইসলাম

গাহি সাম্যের গান- মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান, নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি। ‘পূজারী, দুয়ার খোলো, ক্ষুদার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’ স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়

Read More »

সাম্যবাদী – কাজী নজরুল ইসলাম

গাহি সাম্যের গান- যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান। গাহি সাম্যের গান! কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল, গারো? কন্‌ফুসিয়াস্‌? চার্বআখ চেলা? ব’লে যাও, বলো আরো! বন্ধু, যা-খুশি হও,

Read More »

একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালা

একটা রক্ত করবী ফুটবে বলে                                 দাঁড়িয়ে আছি ঋতু আসে ঋতু যায় ভীড় ঠেলা ট্রাম ব্যস্ত মানুষ সব পেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি ঝুপ করে ফের সন্ধ্যা নামে ক্লান্ত পাখির ডানার ঝাঁপটা শুনতে শুনতে দাঁড়িয়ে আছি এই শহরে আবারও ফের বসন্তেরই অপেক্ষাতে                                 দাঁড়িয়ে আছি

Read More »

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার সাধ ছিল তার মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল সে বুঝতে পারল আকাশের অনেক কাছাকাছি আছে

Read More »

নারীর জন্য পংক্তিমালা (২) — মাহ্ফুজ রাজন

ও মেয়ে, তুমি অমন কাঁদো কেন ? রচনা করো কেন অমন দুঃখী নিঃশব্দের কবিতা ? তোমার একেকটি কান্নার মুহূর্ত বিষন্ন করে তোলে চারধার , প্রকৃতির বেহালায় বাজে যেন দূর অতীতের কষ্টের সুর।

Read More »

নারীর জন্য পংক্তিমালা (১) — মাহফুজ রাজন

একটি নারী – হতে পারে সে স্মৃতিকণা, সীমা জোস্না অথবা অরুণিমা, কীইবা যায় আসে তাতে, নারী সে, কেবলি নারী। জল্লাদ বাহিনীর পদচারনা যার চতুর্দিক ঘিরে

Read More »

মশাল – রুদ্র গোস্বামী

কন্যা সন্তান প্রসব করার অপরাধে আসামের যে মেয়েটাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল ? আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী। যে কবি সেদিন তার নিরানব্বইতম কবিতাটি মেয়েটাকে উৎসর্গ করেছিলেন, তিনি এখন তার প্রিয় পাঠিকার অনুরোধে লিখছেন বসন্ত গল্প।

Read More »

সম্পর্ক – রামকৃষ্ণ প্রধান

একদিন ভোরে উঠে দেখি মুছে গেছে রক্তের ডোর আর একদিন ছোট ছোট স্নেহের বাঁধন প্রাচীন অথচ এই নবীন স্বার্থ বাস করে সম্পর্কের অনুভূমিক তলে । গলা জড়িয়ে চুমু দেয় প্রেম 

Read More »

দেশ খোঁজা মানুষ – রামকৃষ্ণ প্রধান

তৃতীয় বিশ্বের এক কবি পড়ন্ত বিকেলে নতুন ভাড়াটের সাথে খোশ গল্প করছে এই পৃথিবীতে যাদের দেশ নেই তাদের জন্য ফুলে ফুলে উঠছে চিন্তন কোশগুলি হৃদয়ের নীল স্পন্দনে রোহিঙ্গাদের ঘর কফির তলানিতে ঠেকেছে । 

Read More »

সারোগেসি – রামকৃষ্ণ প্রধান

আমার মা বাবার মধ্যে খদ্দের আর দোকানদারের সম্পর্ক একে অপরকে ভালোবাসেনি কখনো । বেশ্যারা শরীর বেচে ক্ষনিকের জন্য আমার মা শরীর, মন বেচেছিল পুরো দশমাস দশদিনের জন্য ।

Read More »

একটি ভ্রূণের আত্মকথা – জয়া গুহ (তিস্তা)

নারী পুরুষ ভালোবাসায় ফুলের কুঁড়ি শিশু অদেখা এই আলোর কণা ভবিষ্যতের যীশু সবেই আমি ছোট্ট কুঁড়ি সবেই তুমি ‘মা’ আগামীর সম্ভাষণে একটি মাসে পা

Read More »

সোনার মেডেল – পূর্ণেন্দু পত্রী

বাবু মশাইরা গাঁ গেরাম থেকে ধুলো মাটি ঘসটে ঘসটে আপনাদের কাছে এয়েছি। কি চাক্ চিকান শহর বানিয়েছেন গো বাবুরা। রোদ পড়লে জোছনা লাগলে মনে হয় কাল-কেউটের গাঁ থেকে খসে পড়া রুপোর তৈরী একখান লম্বা খোলস।

Read More »

ছেলেটা – শক্তি চট্টোপাধ্যায়

ছেলেটা খুব ভুল করেছে শক্ত পাথর ভেঙে মানুষ ছিলো নরম, কেটে, ছড়িয়ে দিলে পারতো । অন্ধ ছেলে, বন্ধ ছেলে, জীবন আছে জানলায় পাথর কেটে পথ বানানো , তাই হয়েছে ব্যর্থ ।

Read More »