Advertisements
Home / Tag Archives: kobita

Tag Archives: kobita

আকাশ-বার্তা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

শুভ সংবাদ লোক মারফত আসবে ভেবে সন্ধ্যা রাত থেকে হাত দুখানা মাথার পিছনে রেখে এতক্ষণ তুমি। স্তব্ধ হয়ে বসে ছিলেন, এবারে। দরজায় টোকা পড়তেই সেই মানুষটি ঘর ছেড়ে। Advertisements

Read More »

বিরহ – বিক্রম ঘোষ

যতটুকু ভালোবাসা রেখেছি বাকি, যদি পারো অবশেষে ফিরিয়ে দিয়ো আমায়। শেষ নক্ষত্রের রাত। শব্দশূন্য আঁধার আসে কোন তারা নেই, জেগে থাকবে অনন্ত আকাশে কিছু তারা বাঁচে আমার মতো করে, আঁধারে। হয়তো তুমি আছো বলে এক শতাব্দী দূরে

Read More »

নদী – বিক্রম ঘোষ

তোমার চোখে নদী দেখেছি নিশ্চুপ কত বিরহে, আলোর অভিমানে, মাখিয়ে জল চাঁদের গায়ে । শব্দ নেই, সমস্ত শব্দ গেছে নিশ্চুপ ব্রত পালনে। ভিনদেশী জোনাকি আলো দিয়ে ঝিনুক কুড়িয়ে আনেন। চোখ ঢুকে পড়ে, তারা গুলো খুব ঘুম কাতর তুলা বুনে বুনে মেঘ গাঁয়ে জড়িয়ে আঁধার-চাদর।

Read More »

ড্রইং – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

এই এখানে মাঠ বসালো ওই ওখানে নদী গাছের নীচে বসিয়ে দিল ক্লান্ত রাখাল ছেলে মেঘ বসালো ওপর দিকে নীচের দিকে বাড়ি পুজোর মুখে এই বাড়িতে তোমরা যারা এলে

Read More »

যখ – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

আমি তোমার কাছে খারাপ বাকি সবার কাছে ভাল কোনও অন্ধ কুয়োতলায় যেন একলা মৃদু আলো আমি সবার কাছে আকাশ শুধু তোমার কাছে ঘুড়ি এই ভাঙা শহর নিয়ে তাকে ইচ্ছে মতো জুড়ি আর বিক্রি করি একা ব্যাগে রাংতা করি জড়ো কোনও মেসেজ এলেই ভাবি তুমি আমায় মনে করো? ভুল ভাঙতে জীবন ...

Read More »

ইচ্ছা – মহাদেব সাহা

হয়তো এই পাহাড় সমান উঁচু হতে চায় কেউ আমি মাটিতে মেশা ঘাস হতে ভালোবাসি, যার মাড়িয়ে যাওয়ার সে মাড়িয়ে যাক ঘাস তবু ঘাসের বুকেই জমে শিশিরবিন্দু ; হয়তো কেউ পার হতে চায় দীর্ঘ দূরের পথ আমি বাড়ির উঠোনে লুটিয়ে থাকি, উঠানের কোণে হয়ে থাকি চারাগাছ সেইখানে ঐ দূর আকাশকে ডাকি ...

Read More »

পৃথিবী – নির্মলেন্দু গুণ

তুমি ডেকেছিলে, আমি চলে এসেছিলাম একা । কোনো কিছু সঙ্গে নিইনি, সঙ্গে করে নিইনি পানীয়, তিল-তিসি-তামা বা বিছানা বালিশ, তুমি বলেছিলে সব পাওয়া যাবে, –এ শহর নেশার ও নারীর ।

Read More »

একটি খোলা কবিতা – নির্মলেন্দু গুণ

আসুন আমরা আগুন সম্পর্কে বৃথা বাক্য ব্যয় না করে একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে দিয়ে বলিঃ ‘এই হচ্ছে প্রকৃত আগুন । মীটসেফ খোলা রেখে, বিড়ালকে উপদেশ দিয়ে অযথা সময় নষ্ট ক’রে লাভ নেই, আসুন আমরা মীটসেফের দরোজাটা বন্ধ করে দিই ।’

Read More »

চায়ের দোকানে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

লণ্ডনে আছে লাস্ট বেঞ্চির ভীরু পরিমল, রথীন এখন সাহিত্যে এক পরমহংস দীপু তো শুনেছি খুলেছে বিরাট কাগজের কল এবং পাঁচটা চায়ের বাগানে দশআনি অংশ তদুপরি অবসর পেলে হয় স্বদেশসেবক; 

Read More »

আরও নিচে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ 

Read More »

আমার খানিকটা দেরি হয়ে যায় – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যে পান্থনিবাসে যাই দ্বার বন্ধ, বলে, ‘ঐ যে রুগ্ন ফুলগুলি বাগানে রয়েছে শুধু, এখন বসবেন?’ কেউ মুমূর্ষু অঙ্গুলি আপন উরসে রেখে হেসে ওঠে, পাতা ঝরানোর হাসি, ‘এই অবেলায় কেন এসেছেন আপনি, কী আছে এখন? গত বসন্তমেলায় সব ফুরিয়েছে, আর আলো নেই, দেখুন না তার ছিঁড়ে গেছে, সব ঘরে 

Read More »

তেজ -দেবব্রত সিংহ

‘মু জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে।

Read More »