Advertisements
Home / Tag Archives: বাংলার সেরা কবিতা

Tag Archives: বাংলার সেরা কবিতা

আকাশ-বার্তা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

শুভ সংবাদ লোক মারফত আসবে ভেবে সন্ধ্যা রাত থেকে হাত দুখানা মাথার পিছনে রেখে এতক্ষণ তুমি। স্তব্ধ হয়ে বসে ছিলেন, এবারে। দরজায় টোকা পড়তেই সেই মানুষটি ঘর ছেড়ে। Advertisements

Read More »

পৃথিবী – নির্মলেন্দু গুণ

তুমি ডেকেছিলে, আমি চলে এসেছিলাম একা । কোনো কিছু সঙ্গে নিইনি, সঙ্গে করে নিইনি পানীয়, তিল-তিসি-তামা বা বিছানা বালিশ, তুমি বলেছিলে সব পাওয়া যাবে, –এ শহর নেশার ও নারীর ।

Read More »

একটি খোলা কবিতা – নির্মলেন্দু গুণ

আসুন আমরা আগুন সম্পর্কে বৃথা বাক্য ব্যয় না করে একটি দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে দিয়ে বলিঃ ‘এই হচ্ছে প্রকৃত আগুন । মীটসেফ খোলা রেখে, বিড়ালকে উপদেশ দিয়ে অযথা সময় নষ্ট ক’রে লাভ নেই, আসুন আমরা মীটসেফের দরোজাটা বন্ধ করে দিই ।’

Read More »

চায়ের দোকানে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

লণ্ডনে আছে লাস্ট বেঞ্চির ভীরু পরিমল, রথীন এখন সাহিত্যে এক পরমহংস দীপু তো শুনেছি খুলেছে বিরাট কাগজের কল এবং পাঁচটা চায়ের বাগানে দশআনি অংশ তদুপরি অবসর পেলে হয় স্বদেশসেবক; 

Read More »

আরও নিচে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ 

Read More »

আমার খানিকটা দেরি হয়ে যায় – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যে পান্থনিবাসে যাই দ্বার বন্ধ, বলে, ‘ঐ যে রুগ্ন ফুলগুলি বাগানে রয়েছে শুধু, এখন বসবেন?’ কেউ মুমূর্ষু অঙ্গুলি আপন উরসে রেখে হেসে ওঠে, পাতা ঝরানোর হাসি, ‘এই অবেলায় কেন এসেছেন আপনি, কী আছে এখন? গত বসন্তমেলায় সব ফুরিয়েছে, আর আলো নেই, দেখুন না তার ছিঁড়ে গেছে, সব ঘরে 

Read More »

তেজ -দেবব্রত সিংহ

‘মু জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে।

Read More »

হোটেলের ঘরে একজন – জয় গোস্বামী

তোরা সব উঠে গেলি পাহাড়ে ঝোলানো সরু ব্রীজে- তোদের ধূসর জামা, ছেঁড়া-ছেঁড়া নীল-সাদা টুপি ভেসে ভেসে এলো আর হোটেলের সারাঘর ভিজে- প্যাগোডার মতো ছাদ – তার পাশ দিয়ে চুপি চুপি

Read More »

হৃদি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে – জয় গোস্বামী

অতল, তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারিনি বলে হৃদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে করো আনন্দ আয়োজন করে পড়ো লিপি চিত্রিত লিপি আঁকাবাঁকা পাহাড়ের সানুতলে যে একা ঘুরছে, তাকে খুঁজে বার করো

Read More »

মালতীবালা বালিকা বিদ্যালয় – জয় গোস্বামী

বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাবো বেণীমাধব, তুমি কি আর আমার কথা ভাবো? বেণীমাধব, মোহনবাঁশি তমাল তরুমূলে বাজিয়েছিলে, আমি তখন মালতী ইস্কুলে ডেস্কে বসে অঙ্ক করি, ছোট্ট ক্লাসঘর

Read More »

আমার কৈফিয়ৎ – কাজী নজরুল ইসলাম

বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই ‘নবী’, কবি ও অকবি যাহা বলো মোরে মুখ বুঁজে তাই সই সবি! কেহ বলে, ‘তুমি ভবিষ্যতে যে ঠাঁই পাবে কবি ভবীর সাথে হে! যেমন বেরোয় রবির হাতে সে চিরকেলে-বাণী কই কবি?’ দুষিছে সবাই, আমি তবু গাই শুধু প্রভাতের ভৈরবী!

Read More »

চৈতী হাওয়া – কাজী নজরুল ইসলাম

হারিয়ে গেছ অন্ধকারে-পাইনি খুঁজে আর, আজ্‌কে তোমার আমার মাঝে সপ্ত পারাবার! আজ্‌কে তোমার জন্মদিন- স্মরণ-বেলায় নিদ্রাহীন হাত্‌ড়ে ফিরি হারিয়ে-যাওয়ার অকূল অন্ধকার! এই -সে হেথাই হারিয়ে গেছে কুড়িয়ে-পাওয়া হার!

Read More »

বিদায়-বেলায় – কাজী নজরুল ইসলাম

তুমি অমন ক’রে গো বারে বারে জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না, জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না। ঐ কাতর কন্ঠে থেকে থেকে শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না, শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না।।

Read More »

মানুষ – কাজী নজরুল ইসলাম

গাহি সাম্যের গান- মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান, নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি। ‘পূজারী, দুয়ার খোলো, ক্ষুদার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’ স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়

Read More »

সাম্যবাদী – কাজী নজরুল ইসলাম

গাহি সাম্যের গান- যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান। গাহি সাম্যের গান! কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল, গারো? কন্‌ফুসিয়াস্‌? চার্বআখ চেলা? ব’লে যাও, বলো আরো! বন্ধু, যা-খুশি হও,

Read More »

আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে – কাজী নজরুল ইসলাম

আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে– মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে খুন হাসে আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে। আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে – বান ডেকে ঐ জাগল জোয়ার দুয়ার – ভাঙা কল্লোলে।

Read More »

একা – বীথি চট্টোপাধ্যায়

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাস চতুর্দিকে শিমূল-পলাশ কৃষ্ণচূড়ার ত্রাস। ঝড় উঠেছে নিখুঁত কালো বৃষ্টি ভেজা রাত আঁচল দিয়ে দুঃখ ঢাকি কোথায় তোমার হাত ?

Read More »