এই নীল আকাশ কেঁপে ওঠে নীরব সম্মোহনে,
অরণ্যের আদিম ছায়া দোল খেয়ে বলে—
তুমি চির প্রণয়ীতমা,
প্রকৃতির শ্যামল বুকের গোপন সুরভি।
সাগরের ফেনায়িত গভীর গর্জন
বুকে তুলে আনে অনন্ত প্রত্যয়—
শত ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে উচ্চারণ করে,
তুমি চির স্বরূপা, তুমি জলের গানের বেদনা ও বীণার সুর।
ধরিত্রীতে বয়ে যাওয়া প্রতিটি বাতাস
মৃদুমন্দ স্পর্শে উচ্চারণ করে—
তুমি আনন্দময়ী, তুমি শাশ্বত অস্তিত্বের দীপ্ত নক্ষত্র।
বিশ্বলোকের এক ঝাঁক শুকপাখি
অসীম নীলের তীরে উড়ে যেতে যেতে
গেয়ে যায় নির্মল সুখের গান—
আর সেই গানের চিত্রিত অন্তরা তুমি,
তুমিই তার লুকানো রাগিণী, তার অরূপ মাধুর্য।
তুমি সঞ্চারিণী—
সমস্ত সুরের ভিতর ছড়িয়ে থাকা
অলৌকিক এক কম্পন,
আকাশ থেকে অরণ্য,
সাগর থেকে স্বর্গলোক অবধি
তোমার নামেই বাজে পৃথিবীর সব সংগীত।