নিয়ত পরিবর্তনশীল দুনিয়ার পথে-ঘাটে,
অবিশ্রান্ত হেঁটে চলেছি অর্ধশত কাল।
সাত সাগরের উথাল-পাতাল ঊর্মি দোলায়
দুলতে দুলতে, নীল স্বপ্নীল আবেশে
সবুজ বনানীর দিগন্ত বিস্তারী ছায়াবিথীতে
থিতু হতে চেয়ে কক্ষচ্যূ ত নক্ষত্রের ন্যা য় লীন
হয়েছি বার বার, প্রতিবার।
শুস্ক মগজে অতীতের ছবি ভেসে ওঠে—–
লোলুপ-লেলিহান আগুনের শিখা উন্মত্ত উদগ্র
হিংস্র-গ্রাসে খুবলে খায় শৈশব-কৈশর-যৌবন,
বেঁচে থাকার রসদ।
মানুষের অবয়বে মানুষেরই জ্ঞাতি,
শাণিত আয়ূধ হাতে রক্ত ঝরায় রাতে-প্রাতে।
সবুজ প্রাণে ছুটে চলা হার না মানা দুরন্ত যৌবন
ন্যূ জ্ব, গতি শ্লথ, ধমনীতে শীতল রক্তশ্রোত,
বন্য শ্বাপদ সরীসৃপ আর পোকার দখলে ফুসফুস।
পৃথিবীর গতিধারায় ছুটে চলা প্রাণ কণা,
দুনির্বার অভিকর্ষজ টানে বিত্তের বৃত্তে
ঘুর পাক খায় অবিরত।
ধর্মধ্বজা আর পাষাণস্তুপে মাথা কূটে মরে
জীবশ্রেষ্ঠ মানবকুল।
স্মৃতির বালুচরে চেতনার তরঙ্গাঘাত আজও জীবন্ত!
অবিনশ্বর এ গতিপথেই লীন হবে নশ্বর প্রাণকণা
সঞ্চারিত করে যাবে আশা,
‘আবার আসিব’ ব’লে।
রচনাকাল ৩০/১১/২০২৫
১৪ই অগ্রহায়ণ ১৪৩২