“রাষ্ট্র কে বলছি, আমি কর্মজীবী নাগরিক।
সংবিধানের জাতীয়তা-ধর্মনিরপেক্ষতা-
এসব তোমার থাক, আমি চাই ন্যায় বিচার।
নিরাপদ খাদ্য, সু-চিকিতসা।
গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র
এসব থিওরি বইতে পড়ি,
বাস্তবে আমি চাই বাক স্বাধীনতা।
ঐ যে বুয়েটের আবরার!
রক্ত দিয়ে- জীবন দিয়ে
বাক স্বাধীনতা চেয়েছিলো।
আমাকে সেই বাক স্বাধীনতা দাও।
রাষ্ট্রের বদলে রাষ্ট্র এসেছে,
নেতার বদলে নেতা আসে,
আসেনা বাক স্বাধীনতা।
পাড়া মহল্লায়, শহরের ফুটপাতে,
অলিতে গলিতে নেতা।
নেতার দাপটে আজ কথা বলা দায়,
নেতারা আজ টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ।
কেউ কথা বলতে চাইলেই,
গলা চেপে ধরবে,
ঐ যে ৩৬জুলাই অভ্যুত্থানের সেই ভাইরাল ছবিটি।
একটি পুলিশ অফিসার, একটি যুবকের মুখ আটকে ধরেছে,
কথা বলতে দিবে না।
উপনৈবেশিক শাসন ধাচের পুলিশ ব্যবস্থা।
হাজার বছর ধরে এই ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধেই,
যত লড়াই সংগ্রাম।
হে রাষ্ট্র, তুমি কি ময়লার ভাগাড়,
যাকে সরকার বানাও,
সেই তো দেখি ইচ্ছেমত লুটে পুটে খায়,
খেয়ে কি আর পেট ভরে? পাচার করে,
বিদেশে জমায়, তারপর পালায়,
ঠিক কোম্পানির শাসকদের মত।
তাদেরও কোম্পানি আছে,
রাজনৈতিক কোম্পানি।
সমস্ত শেয়ার, থোক বরাদ্দ,
সব তো তারাই পায়।
আমার অধিকার তাহলে কোথায়?
কেবল তথাকথিত ভোটাধিকার?
হে রাষ্ট্র, আমার অংশিদারিত্ব দাও,
এই রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে আমার অবদান আছে,
অবদান আছে আমার বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষের।
আমার অধিকার তুমি নিশ্চিত করো।
হে রাষ্ট্র, তুমি আমাদের হও।।
তাপস ঠাকুর
৫-মে, ২০২৫
ঘিওর, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ