মুসলিম ও সাঁওতাল দুই কিশোরী বান্ধবী
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন – রাজশাহী
রচনাঃ ১৮-১১-২০২৪ ইং
কিশোরকালের কাহিনিগুলো খুব সুন্দর, মনোমুগ্ধকর ও মজার মজার অনুপ্ররণাদয়ক হয়ে থাকে।
যাকে ভালোবাসা যায়, তার মতো করে নিজেকে গড়তে ইচ্ছে হয়৷ তার অতীতের শিশু, কৈশোরকালের দিকে ফিরে যেতে ইচ্ছে হয়। ইচ্ছে হয় সেই সময়ের মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে। ইচ্ছে হয় তার ছোটবেলার স্মৃতি মনের গহীনে সাজিয়ে রাখতে। আরও বেশি বেশি ভালোবাসতে।
তাই তো কবির ভাষায় বলি,
শোনো ওগো প্রিয়তমা
একটা কথা বলি,
অজানা এক পথের খোঁজে
চলো দু’জন চলি।
হয়নি কেন শিশুকালে
তোমার সাথে দেখা,
কাটলো কেন কিশোরবেলা
তুমি বিহীন একা?
ইচ্ছে করে ফিরে যেতে
তোমার বাল্য’কালে,
কোথায় বসত দোলনা করে
ঝুলতে গাছের ডালে?
ছোট্ট বেলায় কেমন ছিলো
কন্যা তোমার ছবি,
কেমন করে উঠতো জেগে
নভেরই চাঁদ রবি?
ইচ্ছে করে আজকে তোমার
জানতে আমার সবই,
গল্প লিখে কাব্য লিখে
হইবো প্রেমের কবি।
কাহিনিঃ নুরমহল ও অনামিকা নামক দুই বান্ধবী। অনামিকা মেয়েটি দেখতে শ্যাম বর্ণের কালো হলেও খুবই সুদর্শন ছিলো।
একই গ্রামে ও একই সাথে কাজে-কর্মে, খেলাধুলা ও লেখাপড়ায় তাদের বেড়ে ওঠা।
তাদের দু’জনের সাথে ছিলো বোনের মতোই খুব গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক।
নুরমহল একদিন ইচ্ছে করলো তার বান্ধবীদের নিয়ে তার মামাবাড়ি বেড়াতে যাবে। তখন ছিলো মুসলমানদের রমজান মাস, বরকতের এক ফজীলতপূর্ণ মাস। তার ইচ্ছা অনুযায়ী বান্ধবী অনামিকাসহ আরও দু’একজন বান্ধবী মিলে চলে গেলো তার মামাবাড়ি বেড়াতে।
তার মামা ফজলুর রহমানকে দেখেই নুরমহল সালাম দিলো,
আসসালামু আলাইকুম মামা, কেমন আছেন?
ফজলুর রহমানঃ হ্যাঁ মামণি, আলহামদুলিল্লাহ। ভালো আছি। তোমরা কেমন আছো?
নুরমহলঃ জি মামা, আলহামদুলিল্লাহ, আমরাও ভালো আছি।
ফজলুর রহমানঃ যাও মামণি, তোমরা বাড়ির ভেতর যাও।
বিকেল বেলা।
আসর নামাজের সময়। আসর নামাজের আযান দিলো। এখন নামাজ পড়ার পালা। নুরমহলের মামারা জানতো না যে, তার বান্ধবীদের মধ্যে একজন হিন্দু মেয়েও আছে।
তাই তার মামাদের কাউকে জানতে না দেওয়ার জন্য চতুর নুরমহল মনে মনে একটা বুদ্ধি আঁটলো এবং তার বান্ধবীদেরকে বললো যে,
এই শোন তোরা!
আমাদের মাঝে অনামিকা হিন্দু, এ কথা যেন মামারা কোনোমতেই জানতে না পারে।
জানলে হয়তোবা আমাকে বকা দিতে পারে।
কৌশলে মামাকে একটু ধোঁকা দিলে পাপ হবে না। তাছাড়া এটা তো একটা ভালো কাজ।
তাই নুরমহল বান্ধবী অনামিকাকে বললো,
অনামিকা! তুই তো জানিস এখন রমজান মাস। আমরা সবাই রোজা রেখেছি। আমরা রোজাদার, নামাজ পড়বো। তুই আমাদের সাথে একটা অভিনয় করবি। আমাদের সাথে অজু করে এসে আমরা যেভাবে নামাজ পড়বো, তুই তো কিছু জানিস না,
তবুও তুই আমাদের মত করেই আমরা নামাজের মধ্যে যা যা করবো তুইও ঠিক তাই তা-ই করবি।
আর ইফতার করার সময় তো সবাই একসাথে বসেই ইফতার করবো এবং মাগরিবেরও নামাজ আদায় করে খাওয়া-দাওয়া করে সবাই একসাথে বাড়ি চলে যাবো। মামা একটুও জানতে পারবে না যে, তুই অমুসলিম।
অনামিকা বললো, ঠিক আছে।
তুই যা যা বললি, আমি ঠিক তোদের মতো তাই তা-ই করবো। মামা একটুও জানতে পারবে না, তাকে জানতেই দেবো না।
নুরমহল বললো, চল, এখন আমরা অজু করে আসি এবং আসরের নামাজ আদায় করি।
তারা সবাই মিলে অজু করে এসে একসাথে আসরের নামাজ আদায় করলো।
মামা মনে করলো মাশা-আল্লাহ!
ভাগ্নিরা আমার সবাই নামাজী এবং রোজাদার। মামা খুব খুশি। আর এদিকে এরা সবাই হাসে মুচকি মুচকি।
এভাবেই নুরমহল তার সাঁওতাল বান্ধবীকে নিয়ে আসরের নামাজ আদায় করলো।
কিশোরী বয়স পাড়ি দিতে না দিতেই হঠাৎ করে নুরমহলের বিয়ে হয়ে গেলো পিরিজপুর আলিম মাদ্রাসার রানিং এক কিশোর ছাত্রের সাথে।
সে ছিলো বেকার ভবঘুরে। নাম তার ইউসুফ।
তার মাদ্রাসা যাওয়া আসা কাজ ছাড়া আর কোনো কাজ ছিলো না।
এমতাবস্থায় তার মায়ের ইচ্ছাতেই ইউসুফের সাথে নুরমহলের বিয়েটা হয়।
কিন্তু তার হাতে কোনো টাকা পয়সা নাই।
কী করবে? ইউসুফ খুব চিন্তিত।
বাসর রাতে স্ত্রীর হাতে কিছু টাকা দিয়ে যে মাফ চাইবে তাও তার কাছে ছিলো না। চালাক ছেলেটি তার পুরানো বই বিক্রি করে আশি কিংবা পঁচাশি টাকা পেয়েছিলো। সেই টাকাটাই তার মূলধন বা পুঁজি। সে তার স্ত্রীর নুরমহলকে বললো,
চলো আমরা দুই রাকাত শোকরানার নামাজ পড়ি। তারা দু’জনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লো।
নামাজ শেষে বাসর ঘরে তার স্ত্রী নুরমহলকে বললো,
নুরমহলঃ তুমি তো জানো, আমি একটা বেকার ছেলে। লেখাপড়া শেষ করতেই পারলাম না, ভাগ্যক্রমে আমাদের বিয়েটা হয়ে গেলো।
আমি বই বিক্রি করে কিছু টাকা রেখেছি তোমাকে দেওয়ার জন্য।
এই টাকাটা হাতে নাও। এটা নিয়েই আমার দেনমোহর মাফ করে দাও, প্লিজ।
নুরমহলঃ আমি টাকা নিয়ে কী করবো?
আপনি আমার স্বামী, আমি আপনার স্ত্রী। আমি আপনার কাছে কিছুই চাই না। চাই শুধু আপনার ভালোবাসা, চাই আপনাকে। আমি কোনো দেনমোহর চাই না। আমি দেনমোহর হিসেবে আপনাকেই সারাজীবন আপন করে কাছে পেতে চাই। এ ছাড়া আপনার কাছে আমার চাওয়া-পাওয়ার আর কিছু নাই।
ইউসুফঃ আমি তো সারাজীবন তোমারই। শুধু তোমার। আর তুমি আমার, শুধু আমার।
তবুও আমার কাছে এ টাকাটা নিয়ে তুমি আমাকে মাফ করে দাও,প্লিজ।
নুরমহলঃ টাকাটা হাতে নিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বললো,
আমি আপনাকে মাফ করে দিলাম।
ইউসুফঃ হাসতে হাসতে তাকে জড়িয়ে ধরে বললো,
এই! আমাকে তোমার পছন্দ হয়েছে?
নুরমহলঃ জি, পছন্দ না হলে কি এক দেখাতে আমি রাজি হতাম। এর আগেও আমার অনেক বিয়ের কাজ এসেছিলো, আমি সরাসরি না করে দিয়েছি এবং মা বাবা তা মেনেও নিয়েছেন। আর আপনার বেলায় আমি কিছুই বলিনি। চুপ করে ছিলাম। আমি যদি না বলতাম, তাহকে কি মা বাবা আপনার সাথে আমার বিয়ে দিত?
আমাকে আপনার পছন্দ হয়েছে?
ইউসুফঃ হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। আমিও তোমাকে এক দেখাতেই তোমার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কতজন কুমন্ত্রণা দিয়েছে। কারো কথাই শুনিনি। আমি নামাজে দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে খুব কেঁদেছিলাম। সকল বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে যেন তোমাকে আমি চিরদিনের জন্য আপন করে কাছে পাই। আল্লাহ তা কবুল করেছেন।
আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া, আলহামদুলিল্লাহ।
নুরমহলঃ মুচকি হাসি দিয়ে, আলহামদুলিল্লাহ।
চলেন, এখন ঘুমাই।
ইউসুফঃ এই! তুমি আমাকে আপনি বলছো কেন?
আপনি ডাকটা পরের ডাক। তুমি সবচাইতে আপনজনের ডাক। আমাকে আপনি না, তুমি বলে ডাকবা। আমি খুব খুশি হবো।
নুরমহলঃ কী বলেন, আমি আপনাকে কীভাবে তুমি বলবো? আপনি তো আমার স্বামী। সবার উপরে আপনার স্থান।
ইউসুফঃ আমি কি তোমার আপনজন না? তুমি কি আমাকে আপন ভাবতে পারো না?
নুরমহলঃ জি, আপনিই তো আমার সবচাইতে আপনজন। আপনি ছাড়া পৃথিবীতে আমার আর কে আছে বলেন?
ইউসুফঃ তাহলে আমাকে তুমি বলে সম্বোধন করো।
নুরমহল লজ্জায় চুপ, কিছু বলতে পারছে না।
ইউসুফ আবারও বললো,
কী হলো, চুপ কেন? কথা বলো, তুমি বলো।
এবার নুরমহল তার মাথা ইউসুফের বুকে রেখে,
তুমি,তুমি, তুমি সত্যি আমার সবচাইতে বড় আপনজন।
ইহকাল পরকাল আমি তোমাকেই চাই, শুধু তোমাকে।
ইউসুফ খুব খুশি হলো এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করলো। এভাবেই তারা খোশগল্প করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লো। এক ঘুমেই রাত শেষ।
অভাবী সংসার। সংসারে ইনকামসোস নাই। নাই কেউ ইনকাম করার মতো। নুরমহলের শ্বশুর তার স্বামীকে সেই ছোটবেলায় এতিম করে দিয়েই পরলোক গমন করেছেন।
তার শাশুড়ি অনেক কষ্ট করে সংসার চালান। স্বামীর দেওয়া কিছু জমির অংশ থেকে বছর বছর, ছয়মাস পরপর কিছু ফসল পেতেন। তা থেকেই তাঁদের সংসার কোনমতে চলে যেত। এখন বাড়তি হয়েছে ছেলের বৌ। একটু হলেও তো সংসারের খরচ বেড়েছে। তা দিয়েই ছেলে ও ছেলের বৌ উভয়কেই প্রতিপান করতেন তার শাশুড়ি আম্মাকে। পুত্রবধূকে মেয়ের মতই ভালোবাসতেন। নিজের মেয়ের মতই পুত্রবধূকে সম্বোধন করে ডাকতেন।
অবশ্যই এটাও তাঁর ছেলেরই ইচ্ছে ছিলো।
তাঁর ছেলে তাঁকে বলতো,
মা! আপনি আমাকে যেভাবে ডাকেন, নুরমহলকেও ঠিক সেভাবেই নিজের মেয়ের মত করেই ডাকবেন। এ আমার অনুরোধ।
মা তাকে, (নুরমহলকে) সেভাবেই ডাকতেন।
নুরমহলের স্বামীর এতটুকু ক্ষমতা ছিলো না যে, নিজের স্ত্রীর জন্য কিছু কিনে নিয়ে আসবে।
সে মাঝে মাঝে খেয়াঘাটে যাত্রীবাহী শ্যালো মেশিনের নৌকা চালাতো। সেখান থেকে কিছু পেলে তার স্ত্রীর জন্য পাঁচ, দশ টাকার সামান্য কিছু দোকান থেকে কিনে নিয়ে যেত। তার স্ত্রী নুরমহল তাতেই খুশি হত।
তার স্বামীর দেওয়া উপহারে থাকতো তার জন্য সে সময়ের পঁচিশ পয়সা দামের জনি লজেন্স ও পাঁচ টাকা দামের সল্টেস বিস্কুটের একটা বা দু’টা প্যাকেট।
একদিন নুরমহল তার স্বামীকে বললো,
চলো, আমার আব্বা ও ভাইদের সাথে জমিতে ধানের চাষ করবে। সেখানে মৌসুমে মৌসুমে ধান লাগাবে, ধান কাটবে। আমার ভাইয়েরা তোমাকে সহযোগিতা করবে।
সে তো কিছুই জানে না। তাই লজ্জাবোধ করলো এবং যেতে নাকোচ করলো। কিন্তু নুরমহল নাছোড়বান্দার মত তাকে তার বাবার বাড়ি নিয়েই গেলো এবং অনেক বুঝিয়ে তার ভাইদের সাথে ধান লাগানোর কাজে লাগিয়ে দিলো।
সে তো ধান লাগা কাটার বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ। যা পারে তাই করে। তার কাজ দেখে অনেকেই হাসাহাসি করে। সেখানে সাঁওতাল মেয়ে শ্রমিকও আছে। তাদের সাথে অনামিকাও আছে।
মেয়ে হলে কী হলো? অনামিকাও কাজে খুবই পারদর্শী।
অ-নামিকা নুরমহলের স্বামীকে উদ্দেশ্য করে তার সহকর্মীদের বললো,।
এই দ্যাখ, দ্যাখ, নুরমহলের স্বামী কাজ পারে না।
বেকার অবস্থায় বিয়ে করে বেচারার কী হাল!!
“একেই বলে নিরুপায়”৷
কথাটা নুরমহলের স্বামীর কর্ণপাত হলো এবং সে নিজে খুব লজ্জা অনুভব করলো।
সে বাড়ি গিয়ে তার স্ত্রী নুরমহলকে বললো,
এই,দেখো, আমার দ্বারা এসব কাজ করা সম্ভব না। আমাদের যা আছে, আল্লাহ তা দিয়েই আমাদের সংসার চালিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ।
আমি আর কাজে যাবো না।
নুরমহল তাকে বুঝালো কিন্তু সে তার কোনো কথা শুনলো না। ঐ যে অনামিকার ঐ কথার জন্য।
অবশেষে তার স্ত্রী নুরমহল তাকে আবারও একটা নতুন কাজে, একটা নতুন চাকরি করার জন্য উৎসাহ করলো এবং তার স্বামী তা গ্রহণ করলো।
তাদের সংসারের কিছুটা হলেও অভাব দূর হলো।
তাদের ভালোবাসা আরও বৃদ্ধি পেলো।
বেশ কিছুদিন পর সেই অনামিকা নামের সাঁওতাল মেয়েটিরও এক মুসলিম ছেলের সাথে প্রেম জমে ওঠে এবং তার সাথে তার বিয়েও হয়।
একদিন নুরমহল অনিমাকে দেখে ইউসুফ বললো,
এই! দেখো দেখো এই সেই অনামিকা।
আল্লাহর কী অশেষ রহমত, অসীম দয়া ও কুদরতি ক্ষমতা! তোমার আমার বিয়ের কোনো কথাই ছিলো কীভাবে কীভাবে যেন এক দেখাতেই বিয়েটা হয়ে গেলো।
এই সেই অনামিকা মেয়েটি, যাকে আমি নামাজ পড়িয়েছিলাম মামাদের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে।
আজ সেই মেয়েটি আমাদের মুসলিম ছেলেকে ভালোবেসে মুসলিম হয়ে বিয়ে করেছে। এখন সে নামাজ পড়ে, কোরআন পড়ে। ইসলামিক আদব-কায়দায় নিজেকে আবৃত রাখে। আলহামদুলিল্লাহ।
ইউসুফঃ তুমি নুরমহলও কম না। তুমিও তো আল্লাহর সৃষ্টি এক নুর, যা আমার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো।
নুরমহল মানে কী জানো?
নুরমহলঃ কী?
ইউসুফঃ নুরমহল মানে বাড়ির আলো। তুমি আমার বাড়ির আলো, আমার ঘরের আলো, আমার জীবনের আলো।
আর হয়তোবা তোমার সাথে সেই দিনে তোমার মামার বাড়িতে অভিনয়ের নামাজটাই মহান আল্লাহ তা’য়ালা তার জন্য কবুল করে নিয়েছিলেন।
আর সেই জন্যই সে আজ মুসলিম ঘরের মুসলিম ঘরণী।
এগুলো সম্ভব হয়েছে একমাত্র ভালোবাসার কারণে। তোমরা ভালো বান্ধবী ছিলে। একে অপরকে খুব ভালোবাসতে। আর এ ভালেবাসার জন্যই সেই দিন সে তোমার কথায় রাজি হয়েছিলো। আর আল্লাহ তা কবুলও করে নিয়েছেন।
নুরমহলঃ আর তুমি? তুমিও তো আমাকে এক দেখাতে ভালোবেসে আমার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিলে।
সে সময় তোমার মনটা কী বলতো জানো?
ইউসুফঃ কী বলতো?
নুরমহলঃ ইশ! কখন যে কাছে পাবো? আর কখন যে,,,,,, হাহাহাহা।
এ কথা শুনে ইউসুফও দুষ্টু কোথাকার বলে হাসতে লাগলো 🥰🥰।
কাব্যগ্রন্থঃ নুরমহল