এই তো কেবল সন্ধ্যা ছেড়ে রাত এলো,
ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো যেন পাগল।
আকাশের তারাদের সাথে বড্ড রেষারেষি,
কে আগে কে পরে মুগ্ধতা ছড়াবে!
তোমার বাড়ি ফেরার রাস্তায়, ফুটপাতে –
মিষ্টি পারফিউমের গন্ধ।
তোমার ফেলে দেয়া টিস্যুর ভাঁজে,
কাজলের দু’এক বিন্দু রঙ।
তোমার গায়ের সুবাস, শহরের জ্যাম পেরিয়ে,
আমার কবিতার পাতাকে মাতাল করে দিয়েছে।
কবিতা লিখতে গেলে,
প্রতিটি বর্ণমালা গিয়ে তোমার দ্বারে আশ্রয় খোঁজে।
চিঠির অক্ষরগুলো,
তোমার আঙুল খুঁজে বেড়ায়।
কবিতা তোমার কাঁধ ছুঁয়ে নিতে চায়।
যে কাঁধে তুমি মেঘলা কালো চুল ছড়িয়ে বসো।
এটা প্রেম?
মিষ্টি করে ফেঁসে যাওয়া?
নাকি কেবলই নিঃশ্বাসের খুচরো খরচ?
আজকাল,
গলায় গান চলে আসে হঠাৎ হঠাৎ।
“ক্ষণিক আলোকে আঁখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে,
হারাই-হারাই সদা হয় ভয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে ”
গাইতে গাইতে হারাই নিজের মাঝে।
এটাই প্রেম?
তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে,
হৃদপিণ্ডের চলাচল অস্বাভাবিক ভাবে বাড়ে কেন?
অথচ তোমায় জড়িয়ে ধরা হয়নি।
কি করে বুঝি বলো!
তোমার ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়াবো বলে,
কোনোদিন সিগারেট ঠোঁটে ছোঁয়ানো হয়নি।
জ্বর এলে, তোমার ঠোঁট খুঁজে বেড়ায় মন।
ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে জ্বর মেপে নেবে – এই ভেবে।
এটাই প্রেম?
আমি উত্তর খুঁজিনি, খুঁজবো না।
তোমাকে খুঁজে নেব কেবল।