রহমত নিয়ে এলেন ভবে
মাহমুদুল মান্নান তারিফ
রহমত নিয়ে এলেন ভবে কায়েম করলেন দ্বীন,
আল্লাহ পাকের হাবিব তিনি রাসূল “আলামীন”।
রাসূল আমার ভালোবাসা আমার প্রাণের প্রাণ,
তাঁরই জন্যে আকুল হৃদয় গাই যে প্রেমের গান।
সকল নবীর নবীই আমার প্রাণের প্রিয় নবী,
তাঁরই প্রতি আজ্ঞাধীন যে চাঁদ, সেতারা, রবি।
রবের ডাকে সাতাশ রজব মে’রাজ হলো তারঁ,
নিয়ে এলেন “সালাত” নবী ফরমান এ আল্লা’র।
নবীর প্রতি দরূদ উম্মত পাঠ করলে একবার,
দশটি রহমত বান্দার উপর বর্ষণ হয় আল্লা’র।
মিটান তিনি দশটি গোনা’ দেন সওয়াবও দশ,
দশগুণ করে দেন বাড়িয়ে নিজের কাছে যশ।
পড়লে দরূদ মুনাজাতে গ্রহণ করেন রব,
নবীর প্রতি ভালোবাসায় পাখির কলরব।
দরূদ পড়েন নবীর উপর স্বয়ং আল্লা’ তা’লা,
একইসাথে ফেরেশতারা পাঠ করেন নিরালা।
রচনা; ০৪ জুলাই ২০২১
লেখক
প্রভাষক;
মাথিউরা সিনিয়র ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসা
বিয়ানীবাজার, সিলেট।
আলহামদুলিল্লাহ,
দীর্ঘদিন পর অনেক পরিশ্রম করে আমার প্রিয় “,কবিতা ককটেল” সাইটে প্রবে করলাম।
দেখেছি মক্কা দেখেছি মদিনা
মাহমুদুল মান্নান তারিফ
দেখেছি মক্কা দেখেছি মদিনা দেখেছি আরব ভূমি,
কুবা মসজিদে পড়েছি নামাজ সাথে মাহবুবা সুমি।
মদিনার শানে লেখেছি কাসিদা লেখেছি কবিতা শত,
পূরণ হয়েছে দেরিতে হলেও বুকে ছিল আশা যত।
খেজুর বাগানে খেয়েছি খেজুর জয়তুন তেল আনি,
রোগ নিরাময়ে পানও করেছি পাক যমযম পানি।
দেখেছি আরাফা জাবালে সাওর দেখেছি জাবালে নূর,
পাহাড় ওহুদ দেখেছি মিনাও প্রতিটা অনেক দূর।
দেখেছি আমার নবীজীর বাড়ি মক্কার উঁচু স্থানে,
আরবি হরফে লেখা মাকতাবা যত দেখি মন টানে।
আবূ জেহেলের বাড়িতে করেছি মলত্যাগ বার কয়েক,
নবীজীর দেশে একবারই না যেতে চাই বার অনেক।
যেমন দেখেছি তেমন এঁকেছি বুকে মদিনার ছবি,
করতে জিয়ারা পাক মনোয়ারা বারবার চায় কবি।
মনে হয় যেনো স্বপনের মতো ভ্রমণ করেছে মন।
সেখানের কেনা হাতের আংটি দেখি তাই সারা-ক্ষণ।
পারিনা ভুলতে কাবা দরশন মদিনা কেমনে ভুলি,
বেড়ে গেল আরো মনের হতাশা যেতে হেথা হাত তুলি।
দয়াময় রব তোমার ঘরের মেহমান করো ফের,
তাওফিক দাও বারবার যেতে দাও তাওফিক ঢের।
রচনা: ১৬ মে ২০২৫