Home / Tag Archives: বাংলাদেশের কবিতা

Tag Archives: বাংলাদেশের কবিতা

জুতা বিষয়ক – মাকিদ হায়দার

বাবা হরিপদ, চিঠি পাইবামাত্র জুতা কিনিবা, আমি জানি তোমার পদযুগলে কোন জুতা নাই জুতা ছাড়া ঢাকা শহরে তুমি চলাফেরা করিতেও পারিবেনা। শুনিলাম জুতার দাম আগের মত নাই আরো শুনিলাম ঢাকা শহরের

Read More »

তিনি এসেছেন ফিরে – শামসুর রাহমান

লতাগুল্ম, বাঁশঝাড়, বাবুই পাখির বাসা আর মধুমতি নদীটির বুক থেকে বেদনাবিহ্বল ধ্বনি উঠে মেঘমালা ছুঁয়ে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। এখন তো তিনি নেই, তবু সেই ধ্বনি আজ শুধু তাঁরই কথা বলে;

Read More »

আমি আজ কারো রক্ত চাইতে আসিনি – নির্মলেন্দু গুণ

সমবেত সকলের মতো আমিও গোলাপ ফুল খুব ভালোবাসি, রেসকোর্স পার হয়ে যেতে সেইসব গোলাপের একটি গোলাপ গতকাল আমাকে বলেছে, আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি। আমি তাঁর কথা বলতে এসেছি। শহিদ মিনার থেকে খসে-পড়া একটি রক্তাক্ত ইট গতকাল আমাকে বলেছে, আমি যেন কবিতায় শেখ মুজিবের কথা বলি। আমি তাঁর ...

Read More »

কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প – রুদ্র মুহান্মদ শহীদুল্লাহ

তাঁর চোখ বাঁধা হলো। বুটের প্রথম লাথি রক্তাক্ত করলো তার মুখ। থ্যাতলানো ঠোঁটজোড়া লালা – রক্তে একাকার হলো, জিভ নাড়তেই দুটো ভাঙা দাঁত ঝরে পড়লো কংক্রিটে।

Read More »

স্বাধীনতা, উলঙ্গ কিশোর – নির্মলেন্দু গুণ

জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উল্ঙ্গ শিশুর মত বেরিয়ে এসেছো পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবী হও। তোমার পরমায়ু বৃদ্ধি পাক আমার অস্তিত্বে, স্বপ্নে, প্রাত্যহিক বাহুর পেশীতে, জীবনের রাজপথে, মিছিলে মিছিলে; তুমি বেঁচে থাকো, তুমি দীর্ঘজীবী হও। তোমার হা-করা মুখে প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত অবধি হরতাল ছিল একদিন, ছিল ধর্মঘট, ছিলো কারখানার ধুলো।

Read More »

অভিমানের খেয়া – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

এতদিন কিছু একা থেকে শুধু খেলেছি একাই, পরাজিত প্রেম তনুর তিমিরে হেনেছে আঘাত পারিজাতহীন কঠিন পাথরে। প্রাপ্য পাইনি করাল দুপুরে, নির্মম ক্লেদে মাথা রেখে রাত কেটেছে প্রহর বেলা-

Read More »

বাতাসে লাশের গন্ধ – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি, ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে- এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?

Read More »

কথা ছিলো সুবিনয় – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বসবে না, চিত্রল তরুণ হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট।

Read More »

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো – নির্মলেন্দু গুণ

একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’ এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না, এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না, এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন ছিল না৷ তা হলে কেমন ...

Read More »

এই মাতোয়ালা রাইত – শামসুর রাহমান

হালায় আজকা নেশা করছি বহুত। রাইতের লগে দোস্তি আমার পুরানা, কান্দুপট্টির খানকি মাগীর চক্ষুর কাজলের টান এই মাতোয়ালা রাইতের তামাম গতরে। পাও দুইটা কেমুন আলগা আলগা লাগে, গাঢ়া আবরের সুনসান আন্দরমহলে হাঁটে। মগর জমিনে বান্ধা পাও

Read More »

রাষ্ট্রপ্রধান কি মেনে নেবেন? – শহীদ কাদরী

চেয়ার, টেবিল, সোফাসেট, আলমারিগুলো আমার নয় গাছ, পুকুর, জল, বৃষ্টিধারা শুধু আমার চুল, চিবুক, স্তন, ঊরু আমার নয়, প্রেমিকের ব্যাকুল অবয়বগুলো আমার রাষ্ট্রপ্রধান কি মেনে নেবেন আমার প্রস্তাবগুলো কবিতার লাবণ্য দিয়ে নিজস্ব প্রাধান্য বিস্তার অন্তিমে উদ্দেশ্য যার?

Read More »