শক্তি চট্টোপাধ্যায়

শক্তি চট্টোপাধ্যায়পশ্চিমবঙ্গের জয়নগরে তাঁর জন্ম। দারিদ্রতার কারণে প্রেসিডেন্সিতে স্নাতক শেষ করতে পারেননি। শুরু করেন সাহিত্য চর্চা। প্রথমে স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার নামে গল্প লিখতেন। প্রথম উপন্যাস লেখেন ‘কুয়োতলা’। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই কবিতা তাঁকে টানে। সেই সময় কৃত্তিবাস পত্রিকায় লিখে খ্যাতি পান। হাংরি আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন তিনি। প্রবল দারিদ্রতার মধ্যে দিন কাটাতে হত তাঁকে। এমনও শোনা যায় যে, দুপুরে কবির বাড়ি উপস্থিত হলে দুটো ভাত বেড়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা না থাকলেও; অনায়াসে দুটো কবিতা বেড়ে দিতে পারতেন।
শক্তি তাঁর কবিতাকে কবিতা বলতেন না। বলতেন পদ্য। আর লিখতে পারতেন খুব দ্রুত। লেখায় কাটা ছেঁড়া করতেন না।
তাঁর কবিতায় উঠে আসে সমাজ জীবন, নারী, প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা, প্রতিবাদ সব… সাবলীল ভাষায় অসাধারণ লিখে যেতেন তিনি।

আমাদের পাতায় প্রকাশিত তাঁরই কিছু কবিতাঃ

  1. অবনী বাড়ি আছো – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  2. আমরা দুজন ছড়িয়ে বসছি – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  3. আমাকে পোড়াও – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  4. এক অসুখে দুজন অন্ধ – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  5. একবার তুমি –শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  6. ছেলেটা – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  7. পরস্ত্রী – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  8. পাবো প্রেম কান পেতে রেখে – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  9. মনে মনে বহুদূর চলে গেছি – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  10. যখন বৃষ্টি নামলো – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  11. যদি পারো দুঃখ দাও – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  12. যে যায় সে দীর্ঘ যায় – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  13. যে-পথে যাবার – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  14. যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  15. যেভাবে যায়, সক্কলে যায় – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  16. সুখে থাকো – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  17. হলুদবাড়ি – শক্তি চট্টোপাধ্যায়