Advertisements

হৃদয় আমার, ওই বুঝি – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

হৃদয় আমার, ওই বুঝি তোর বৈশাখী ঝড় আসে। বেড়া-ভাঙার মাতন নামে উদ্দাম উল্লাসে॥ তোমার মোহন এল ভীষণ বেশে, আকাশ ঢাকা জটিল কেশে– বুঝি এল তোমার সাধনধন চরম সর্বনাশে॥ Advertisements

Read More »

এসো এসো হে তৃষ্ণার জল – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

এসো এসো হে তৃষ্ণার জল, কলকল্‌ ছলছল্‌– ভেদ করো কঠিনের ক্রূর বক্ষতল কলকল্‌ ছলছল্‌॥ এসো এসো উৎসস্রোতে গূঢ় অন্ধকার হতে এসো হে নির্মল কলকল্‌ ছলছল্‌॥

Read More »

নাই রস নাই, দারুণ দাহনবেলা – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

নাই রস নাই, দারুণ দাহনবেলা।       খেলো খেলো তব নীরব ভৈরব খেলা ॥ যদি ঝ’রে পড়ে পড়ুক পাতা,       ম্লান হয়ে যাক মালা গাঁথা, থাক্‌ জনহীন পথে পথে       মরীচিকাজাল ফেলা ॥

Read More »

ব্যাকুল বকুলের ফুলে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

ব্যাকুল বকুলের ফুলে ভ্রমর মরে পথ ভুলে॥ আকাশে কী গোপন বাণী বাতাসে করে কানাকানি, বনের অঞ্চলখানি পুলকে উঠে দুলে দুলে॥ বেদনা সুমধুর হয়ে ভুবনে আজি গেল বয়ে।

Read More »

কত যে তুমি মনোহর – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

কত যে তুমি মনোহর মনই তাহা জানে, হৃদয় মম থরোথরো কাঁপে তোমার গানে॥ আজিকে এই প্রভাতবেলা মেঘের সাথে রোদের খেলা, জলে নয়ন ভরোভরো চাহি তোমার পানে॥

Read More »

পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি ভাবনা আমার পথ ভোলে, যেন সিন্ধুপারের পাখি তারা, যা   য়     যা   য়     যায় চলে॥ আলোছায়ার সুরে অনেক কালের সে কোন্‌ দূরে ডাকে আ   য়     আ   য়     আয় ব’লে॥

Read More »

আঁধার কুঁড়ির বাঁধন টুটে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

আঁধার কুঁড়ির বাঁধন টুটে চাঁদের ফুল উঠেছে ফুটে॥                 তার গন্ধ কোথায়, গন্ধ কোথায় রে।                 গন্ধ আমার গভীর ব্যথায় হৃদয়-মাঝে লুটে॥

Read More »

আজ তালের বনের করতালি – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

আজ তালের বনের করতালি কিসের তালে পূর্ণিমাচাঁদ মাঠের পারে ওঠার কালে॥ না-দেখা কোন্‌ বীণা বাজে আকাশ-মাঝে, না-শোনা কোন্‌ রাগ রাগিণী শূন্যে ঢালে॥

Read More »

একি আকুলতা ভুবনে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

একি আকুলতা ভুবনে! একি চঞ্চলতা পবনে॥ একি মধুরমদির রসরাশি আজি শূন্যতলে চলে ভাসি, ঝরে চন্দ্রকরে একি হাসি, ফুল- গন্ধ লুটে গগনে॥ একি প্রাণভরা অনুরাগে আজি বিশ্বজগতজন জাগে,

Read More »

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও, শেষে দাও মুছে। ওহে চঞ্চল, বেলা না যেতে খেলা কেন তব যায় ঘুচে॥ চকিত চোখের অশ্রুসজল বেদনায় তুমি ছুঁয়ে ছুঁয়ে চল– কোথা সে পথের শেষ কোন্‌ সুদূরের দেশ সবাই তোমায় তাই পুছে॥

Read More »

বিশ্ববীণারবে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে। স্থলে জলে নভতলে বনে উপবনে নদীনদে গিরিগুহা-পারাবারে নিত্য জাগে সরস সঙ্গীতমধুরিমা, নিত্য নৃত্যরসভঙ্গিমা।–

Read More »

শ্রাবণগাথা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নটরাজ। মহারাজ, আদেশ করেন যদি, বর্ষার অভ্যর্থনা দিয়ে আজ উৎসবের ভুমিকা করা যাক। রাজা। ভূমিকার কী প্রয়োজন। নটরাজ। ধুয়োর যে প্রয়োজন গানে। ঐ ধুয়োটাই অঙ্কুরের মতো ছোটো হয়ে দেখা দেয়, তার পরে শাখায় পল্লবে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Read More »

একা – বীথি চট্টোপাধ্যায়

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাস চতুর্দিকে শিমূল-পলাশ কৃষ্ণচূড়ার ত্রাস। ঝড় উঠেছে নিখুঁত কালো বৃষ্টি ভেজা রাত আঁচল দিয়ে দুঃখ ঢাকি কোথায় তোমার হাত ?

Read More »

অভিশাপ – বীথি চট্টোপাধ্যায়

স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে যেই বউকে বুকে জড়িয়ে ধরবে তখন তোমার ভীষণভাবে আমার কথাই মনে পড়বে। আমার বুকের কলহাস্য এবং নিছক বুকের স্পর্শ— আমার রূপের টুকরো টুকরো অনুষঙ্গ, হাতের নরম আঙুলগুলো তোমার চুলে খেলা করবে।

Read More »

মুক্তধারা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উত্তরকূট পার্বত্য প্রদেশ। সেখানকার উত্তরভৈরব-মন্দিরে যাইবার পথ। দূরে আকাশে একটা অভ্রভেদী লৌহযন্ত্রের মাথাটা দেখা যাইতেছে এবং তাহার অপরদিকে ভৈরবমন্দিরচূড়ার ত্রিশূল। পথের পার্শ্বে আমবাগানে রাজা রণজিতের শিবির। আজ অমাবস্যায় ভৈরবের মন্দিরে আরতি, সেখানে রাজা পদব্রজে যাইবেন, পথে শিবিরে বিশ্রাম করিতেছেন। তাঁহার সভার যন্ত্ররাজ বিভূতি বহুবৎসরের চেষ্টায় লৌহযন্ত্রের বাঁধ তুলিয়া মুক্তধারা ঝরনাকে ...

Read More »

রক্তকরবী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই নাট্যব্যাপার যে-নগরকে আশ্রয় করিয়া আছে তাহার নাম যক্ষপুরী। এখানকার শ্রমিকদল মাটির তলা হইতে সোনা তুলিবার কাজে নিযুক্ত। এখানকার রাজা একটা অত্যন্ত জটিল আবরণের আড়ালে বাস করে। প্রাসাদের সেই জালের আবরণ এই নাটকের একটিমাত্র দৃশ্য। সেই আবরণের বহির্ভাগে সমস্ত ঘটনা ঘটিতেছে। নন্দিনী ও কিশোর, সুড়ঙ্গ-খোদাইকর বালক কিশোর। নন্দিনী, নন্দিনী, নন্দিনী!

Read More »

একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালা

একটা রক্ত করবী ফুটবে বলে                                 দাঁড়িয়ে আছি ঋতু আসে ঋতু যায় ভীড় ঠেলা ট্রাম ব্যস্ত মানুষ সব পেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি ঝুপ করে ফের সন্ধ্যা নামে ক্লান্ত পাখির ডানার ঝাঁপটা শুনতে শুনতে দাঁড়িয়ে আছি এই শহরে আবারও ফের বসন্তেরই অপেক্ষাতে                                 দাঁড়িয়ে আছি

Read More »

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার সাধ ছিল তার মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল সে বুঝতে পারল আকাশের অনেক কাছাকাছি আছে

Read More »