প্রথম পাতা প্রচ্ছদ পাতা 10

নাই রস নাই, দারুণ দাহনবেলা – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

নাই রস নাই, দারুণ দাহনবেলা।       খেলো খেলো তব নীরব ভৈরব খেলা ॥ যদি ঝ'রে পড়ে পড়ুক পাতা,       ম্লান হয়ে যাক মালা গাঁথা, থাক্‌ জনহীন পথে পথে...

ব্যাকুল বকুলের ফুলে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

ব্যাকুল বকুলের ফুলে ভ্রমর মরে পথ ভুলে॥ আকাশে কী গোপন বাণী বাতাসে করে কানাকানি, বনের অঞ্চলখানি পুলকে উঠে দুলে দুলে॥ বেদনা সুমধুর হয়ে ভুবনে আজি গেল বয়ে। বাঁশিতে...

আকাশভরা সূর্য-তারা – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ, তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান, বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥ অসীম কালের যে হিল্লোলে জোয়ার-ভাঁটার ভুবন দোলে নাড়ীতে মোর রক্তধারায় লেগেছে তার টান, বিস্ময়ে...

কত যে তুমি মনোহর – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

কত যে তুমি মনোহর মনই তাহা জানে, হৃদয় মম থরোথরো কাঁপে তোমার গানে॥ আজিকে এই প্রভাতবেলা মেঘের সাথে রোদের খেলা, জলে নয়ন ভরোভরো চাহি তোমার পানে॥ আলোর অধীর...

পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি ভাবনা আমার পথ ভোলে, যেন সিন্ধুপারের পাখি তারা, যা   য়     যা   য়     যায় চলে॥ আলোছায়ার সুরে অনেক কালের সে কোন্‌ দূরে ডাকে আ   য়     আ   য়     আয় ব'লে॥ যেথায়...

আঁধার কুঁড়ির বাঁধন টুটে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

আঁধার কুঁড়ির বাঁধন টুটে চাঁদের ফুল উঠেছে ফুটে॥                 তার গন্ধ কোথায়, গন্ধ কোথায় রে।                 গন্ধ আমার গভীর ব্যথায় হৃদয়-মাঝে লুটে॥ ও              কখন যাবে সরে, আকাশ হতে পড়বে...

আজ তালের বনের করতালি – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

আজ তালের বনের করতালি কিসের তালে পূর্ণিমাচাঁদ মাঠের পারে ওঠার কালে॥ না-দেখা কোন্‌ বীণা বাজে আকাশ-মাঝে, না-শোনা কোন্‌ রাগ রাগিণী শূন্যে ঢালে॥ ওর খুশির সাথে কোন্‌ খুশির আজ...

একি আকুলতা ভুবনে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

একি আকুলতা ভুবনে! একি চঞ্চলতা পবনে॥ একি মধুরমদির রসরাশি আজি শূন্যতলে চলে ভাসি, ঝরে চন্দ্রকরে একি হাসি, ফুল- গন্ধ লুটে গগনে॥ একি প্রাণভরা অনুরাগে আজি বিশ্বজগতজন জাগে, আজি...

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও, শেষে দাও মুছে। ওহে চঞ্চল, বেলা না যেতে খেলা কেন তব যায় ঘুচে॥ চকিত চোখের অশ্রুসজল বেদনায় তুমি ছুঁয়ে ছুঁয়ে চল-- কোথা...

বিশ্ববীণারবে – রবীন্দ্রসঙ্গীত । রবীন্দ্রনাথের গান

বিশ্ববীণারবে বিশ্বজন মোহিছে। স্থলে জলে নভতলে বনে উপবনে নদীনদে গিরিগুহা-পারাবারে নিত্য জাগে সরস সঙ্গীতমধুরিমা, নিত্য নৃত্যরসভঙ্গিমা।-- নব বসন্তে নব আনন্দ, উৎসব নব। অতি মঞ্জুল, অতি মঞ্জুল, শুনি মঞ্জুল গুঞ্জন কুঞ্জে-- শুনি...

শ্রাবণগাথা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নটরাজ। মহারাজ, আদেশ করেন যদি, বর্ষার অভ্যর্থনা দিয়ে আজ উৎসবের ভুমিকা করা যাক। রাজা। ভূমিকার কী প্রয়োজন। নটরাজ। ধুয়োর যে প্রয়োজন গানে। ঐ ধুয়োটাই অঙ্কুরের মতো ছোটো হয়ে দেখা...

একা – বীথি চট্টোপাধ্যায়

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাস চতুর্দিকে শিমূল-পলাশ কৃষ্ণচূড়ার ত্রাস। ঝড় উঠেছে নিখুঁত কালো বৃষ্টি ভেজা রাত আঁচল দিয়ে দুঃখ ঢাকি কোথায় তোমার হাত ? তব্ধ যদি ভালোবাসা প্রেমের-কম্পন ফিরিয়ে...

অভিশাপ – বীথি চট্টোপাধ্যায়

স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে যেই বউকে বুকে জড়িয়ে ধরবে তখন তোমার ভীষণভাবে আমার কথাই মনে পড়বে। আমার বুকের কলহাস্য এবং নিছক বুকের স্পর্শ--- আমার রূপের টুকরো টুকরো অনুষঙ্গ, হাতের নরম...

মুক্তধারা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উত্তরকূট পার্বত্য প্রদেশ। সেখানকার উত্তরভৈরব-মন্দিরে যাইবার পথ। দূরে আকাশে একটা অভ্রভেদী লৌহযন্ত্রের মাথাটা দেখা যাইতেছে এবং তাহার অপরদিকে ভৈরবমন্দিরচূড়ার ত্রিশূল। পথের পার্শ্বে আমবাগানে রাজা...

রক্তকরবী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই নাট্যব্যাপার যে-নগরকে আশ্রয় করিয়া আছে তাহার নাম যক্ষপুরী। এখানকার শ্রমিকদল মাটির তলা হইতে সোনা তুলিবার কাজে নিযুক্ত। এখানকার রাজা একটা অত্যন্ত জটিল আবরণের...

আকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল যে মেয়েটার – প্রদীপ বালা

আকাশ দেখার স্বপ্ন ছিল মেয়েটার ছোট থেকেই আকাশে পাখি হয়ে ওড়ার সাধ ছিল তার মফঃস্বল থেকে শহরে এলো যেদিন জীবনে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসের সোনালী রোদ গায়ে এসে পড়েছিল সে বুঝতে...

একটা রক্তকরবী ফুটবে বলে – প্রদীপ বালাu

একটা রক্ত করবী ফুটবে বলে                                 দাঁড়িয়ে আছি ঋতু আসে ঋতু যায় ভীড় ঠেলা ট্রাম ব্যস্ত মানুষ সব পেরিয়ে দাঁড়িয়ে আছি ঝুপ করে ফের সন্ধ্যা নামে ক্লান্ত পাখির ডানার ঝাঁপটা শুনতে শুনতে...

কবিকে দুঃখ দিওনা — মাহ্ফুজ রাজন

কবিকে দুঃখ দিওনা হে নারী লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে দিতে পারে সে, রটিয়ে দেবে গ্রহ, নক্ষত্রে গ্রামে, গঞ্জে, শহরে, বন্দরে। এগুতে পারবেনা এক পা’ও পেছানোরও পথ বন্ধ পাবে। কবিকে দুঃখ দিওনা মেয়ে এলোমেলো...

এলোমেলো প্রেম – মাহ্ফুজ রাজন

( ১ ) আকাঙ্ক্ষার ঝুল বারান্দায় যখন দেখা হয় রোজ, মেয়েটি হয়ে যায় কিশোরী আর ছেলেটি চল্লিশ বছরের কিশোর।। ( ২ ) আমার চেয়ে ভালো তোমায় আর কে চেনে বলো ? আকাশ যেমন করে চেনে...

স্মৃতি রোমন্থন – মাহ্ফুজ রাজন

মনে পড়ে সূর্যাস্তের এক বিকেল বেলায় একজোড়া হাত আমায় ছুঁয়ে বলেছিল, ভুলে যাবেনাতো ? আমি মৃদু হেসে বলেছিলাম, ভালো যে বাসেনা সে তো চোখের তারায় সন্ধেহের ছবি আঁকবেই। অমনি তুমি গোমড়া মুখে...