প্রথম পাতা প্রচ্ছদ পাতা 65

আশ্চর্য সূর্য – ইশরাত তানিয়া

ঈশ্বর জানেন, কতবার হাত গুটিয়ে নিয়েছি স্পর্শকাতর মুঠোফোন থেকে ক্ষুদে বার্তা থেকে ছেঁটেছি একের পর এক অক্ষর- তারপর মুছে দিয়ে সবটুকু রঙ সাদা ক্যানভাস ধরে হেঁটে গেছি, দূর ব্যবধান...

অবিচ্ছেদ – কল্লোল সোম

আমি কখনোই ভেঙে যাওয়ার শব্দ বলি না আমি জানি অতি নিশ্চিত পাখির চৌকশ সাঁড়াশি-ঠোঁটে লটকানো ঘাড়ভাঙ্গা পোকা কি সমঞ্জস সুন্দর সমুচিত। কেন না পোকা, পাখি ও আমি – এই...

এই কি আমার বাংলা? – প্রদীপ বালা

যে পিতা সন্তানের চোখে চোখ রাখতে পারেনা আমি ঘেন্না করি যে সন্তান পিতা-মাতার ভালোবাসাকে বুঝতে পারে না আমি তাদেরও ঘেন্না করি যে কবি বুদ্ধিজীবী তকমা নিয়ে সরকারের তোষামোদি...

আর্ট মার্চ – কল্লোল সোম

‘সৃজ হে সৃজ, আর্ট -- চিত্র-কারু-মঞ্জুভাষ-রম্যধুন কনসার্ট; আর্তনাদ, লুটিয়ে পড়ো সুরে ' নির্ঘুম রাতের তেল (হৃদয়ও) পুড়িয়ে, এবং আত্মায় স্বপ্নচারী আততায়ীর চিক্কণ ছুরিকাঘাত যুঝে, রক্ত মুছে, জেগে উঠে বললেন ফ্রীডরীখ্‌...

কিছু করার নেই – ইশরাত তানিয়া

সীমাবদ্ধতাগুলো কেঁপে উঠতেই পারে এমন করে কারো চোখ থেকে যদি শিশুসুলভ অবাধ বিস্ময়ের মুঠো মুঠো ফুল বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে ঝরে। অতিরিক্ত একটি তারা জ্বলতে পারে, তেমন সৌভাগ্য...

এমনভাবে যেতে নেই – ইশরাত তানিয়া

আমাকে যেতে হয় লাবণ্যের একদিন আকাশের নিচে এক চিলতে দুখের কাছে একটুখানি নদী হয়ে, সন্ধ্যার আলুথালু বেশবাস ভবঘুরে বাতাসের ভিতরে যেতে আমার ভাললাগে জারুলের বেগুনী জড়িয়ে, কিন্তু, এমনভাবে...

তুমি – ইশরাত তানিয়া

তোমাকে আমি বাতাস-পোড়া দুপুর দিব, এসব দুপুর তুমি যদি ছুঁয়ে দাও মেঘ হবে, নিশ্চিত টাপুর-টুপুর, বঙ্গ, দ্রাবিড় কিংবা মগধ আমি দিতে পারি, প্রাচীন নগরী হবে আসমুদ্রহিমাচল তুমি...

দুই বোন – ইশরাত তানিয়া

ঝপাৎ! প্রেমটাকে কুয়ায় ফেলে- সাক্ষী এই রাত, হাত ঝেড়ে বড় বোন কদম গাছের নিচে দাঁড়ালো। নত মুখে পাতা ছিঁড়ে, দাঁতে কাটে- বড় বোন কেঁপে উঠে, বোঝা দায়, বাতাসে...

দাদু-দিদুন – শঙ্কর দেবনাথ

টাক ডুমা ডুম টাক দাদুর মাথায় টাক টাকের উপর চক দিয়ে রোজ দিদুন কষেন আঁক। টাক ডুমা ডুম টাক দিদুন ডাকেন নাক নাকের উপর বাজান দাদু তাক ধিনা ধিন তাক।

রিসাইকেল – ইশরাত তানিয়া

আইস ট্রে তে কান্না জমে- জমে যাওয়া কান্না চুষে, দাঁতে ভেঙ্গে শিরশির শির, কাঁচের গ্লাসে স্বচ্ছ জলে দু’ তিন কিউব কান্না ফেলে- জমাট বাধা শীতল অশ্রু জুড়ায় যদি অগ্নিমান্দ্য। এমনভাবে নির্বাপিত! ভিতরটাকে...

বাঁদর – শঙ্কর দেবনাথ

বাঁদর বলে আদর করে বিল্লুকে মা ডেকে, বলেন -এবার ইস্কুলে যাও বাঁদরামিটা রেখে। দেখছি আমি তোমার মাথায় একটুও নেই ঘিলু, বাঁদররা কি ইস্কুলে যায়? বলেই পালায় বিলু।

আমার শহরঃ একটা ককটেল ফ্যামিলি – প্রদীপ বালা

সময়ের শেষ হয় এইখানেই আবার টান টেনে টেনে লম্বা করি ধিরে ধিরে ছড়িয়ে যাক সবখানেই ### সকাল সকাল চায়ের কাপে জোর চুমুক কাল রাতের সাড়ে তিন মিনিট, চায়ের ভেতর মিষ্টি...