Home / কবিতা / হ্যালো ডার্লিং রাব্বি – মল্লিকা রায়

হ্যালো ডার্লিং রাব্বি – মল্লিকা রায়

হ্যাল্লো,রাব্বি মাই ডার্লিং!!
হাই কেমন আছো জান্–
নিশ্চিন্তে অজানার দেশে-??
তোমাকে ভাঙিয়ে খাবার জন্য, হ্যাঁ,তোমাকেই–
বেদুইন আমি,রোজ প্রত্যহে ডুবে যাই অথৈ জোয়ার,
তোমাতেই মাখামাখি আমার আসন্ন বাসনার বেদীমূল,
আমার ঘুমহীন প্রতি রাত,প্রতি দিনের প্রতি মুহূর্ত—।

দুঃস্বপ্ন দেখায় তোমার নোবেল,বিজয়ীর হাসি
কত বত্সর দুরাশা,দুর্যোগ বিনিময়
কত কূট-কাচালির তিক্ত নিরাময়
গড়েছিলে অমৃত সোপান কবি নাম।
ওরা দুর্বহ তবু বুঝেছিলো,পেল না দুখুটা!!!

পাক্-ইঙ্গের কূট ষড়যন্ত্রে তুমি হলে মহীয়ান,
জান্,সেদিন দেখেছি তোমার তড়খড়ে-
কেমন গীতাঞ্জলির মোহিনী রাধিকা–
তোমা থেকে বঞ্চিত করেছিল আমায়।
আশা ছাড়িনি তখনও নোবেল স্বপ্নে–

রাব্বি,মাই ডার্লিং!!
তারপর আমি ছেয়ে গেছি একেএকে বোঠান–
রাণু,ওকাম্পোতে-তুমি আর এক তুমিতে–
ছিল না সময়ের ওঠাপড়া শুধু স্নিগ্ধতা প্রেম,
তোমার নোবেল আমার হৃদয় তন্ত্রীর বারোমাস্যায়–
ছেয়েছিল রোমাঞ্চের বাগানবাড়ী–শান্তির।

দেশী,বিদেশীর ছড়াছড়ি তোমার স্নেহ উদ্যান,
পৃথিবীর একত্র ঔদার্য্য নোবেলে কেন্দ্রীভূত
দেখেছি দুখুর যন্ত্রণাময় নির্জণ কারাবাস,
মার্কিণী সবুদে সমর্পণের ভাষায় তুমিই–
আসলে রাজনৈতিক কূটতন্ত্রে হল না উদ্ধার,
একরাশ উন্মাদনার গানে ডুবে গেল দুখুটা !!!

কি-ই বা করতে তুমি সমর্পণ ছাড়া,
প্রতিবাদী মঞ্চের নির্বীজকরণ তত্ত্বে তুমি অব্যর্থ-
বিশ্বপ্রেমিক নাম বিশ্বকবির ভূমিকায়,আমি–
হরিণীর দাপাদাপি সমর্পণ তোমার চির প্রেমে
সে-যুগের ভূমিকায়,জন্মাই প্রতিবার —–

আবারও বোঠান,আন্নার ভূমিকায়
কোথাও ওকাম্পো,রাণুর সহজাত উচ্ছলতায়
জন্মেছি এবারও,কথা ছিল থাকবে তুমিও-
যতবার জন্মাবো গীতাঞ্জলির কাব্যময়
খুঁজে নেব পৃথিবীর গতি তোমার হৃদয়।

তোমাকে ভাঙাভাঙি করে জিতব নোবেল তাই–
বারংবার জন্মাই,সঁপে দিই প্রাণ উত্সর্গ
প্রত্যেহ প্রতিদিন প্রতি পল প্রতিটা সময়-
জান্,কতকাল কেটেছে অনাদর,অবিশ্বাস-
এ হৃদয়ে নির্বিকার আজও তোমার বন্দিত কাব্য,গীত্
একবার এসো নেমে এ সাধের ধরাতলে হোক্ বিনির্মাণ–
আর এক নোবেল আয়োজন। অতৃপ্ত এ মন আরো কত–
ডার্লিং,রাব্বি ! আবারও এসেছি হাত রাখো–
পাঞ্জায়” টাগ অফ ওয়ার”–জেতাও আমায়।
নোবেল দুস্বপ্নে ডার্লিং রেখো না জন্ম আর।

About মল্লিকা রায়

মল্লিকা রায়
আমি মল্লিকা রায় ,উঃ ২৪ পরগণা জেলায় বারাসাত শহরের বাসিন্দা, ছোটবেলা থেকে নিছক আবেগের বশে লেখায় প্রবেশ। পাশে পড়াশুনা,জীবন-যাপন ও বিভিন্ন খ্যাতিমান কবি,সাহিত্যিকদের লেখায় আত্মনিবেদন।দীর্ঘকাল ধরে কিছু ছোট পত্র-পত্রিকায় সৌজন্যমূলক লেখায় আত্ম-প্রকাশ। পারিবারিক প্রেরণার উৎস মা, যার একাংশ জুড়ে আমার তার প্রতি প্রবল আকূতি রয়েছে, বিশেষত লেখার মূল সূত্র বিভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপটে মানুষের নানান প্রভেদ-বিভেদ, ঘাত-প্রতিঘাত প্রভৃতি আমায় লেখণী তুলতে উদ্বুদ্ধ করেছে। বাংলা কবিতা আসরে প্রবেশ প্রায় ২০১৫ তে, এডমিন এবং অজস্র সহযোগী বন্ধুর সহযোগিতায় এ পর্য়ন্ত পৌঁছানো।

মন্তব্য করুন