সে আমার সারথি ।। এবিএম সোহেল রশিদ।।

সে আমার সারথি
।। এবিএম সোহেল রশিদ।।
.
সাহসে বুক বেঁধে নেমেছি পথে, আজ বৃষ্টিতে ভিজবো
মেঘচাদরের নীচে লুণ্ঠিত হবো অথবা লুণ্ঠনে মত্ত হবো.
মুগ্ধতার এই পোস্টমর্টেমে জানবো লেনদেনের আদ্যপ্রান্ত
ভিনগ্রহে কোন্ ফুলের চাষবাস; তাও এবার জানবো
.
আমি আশাহত নই, ছুড়বো তোকে অহংকারে উনুনে
সুখের বুননে, আটকে দিব গোলাপে মৌমাছির হুল
পৌরুষ নিলামে উঠানোর জন্য নয়; ঢেকে দিব চোখ
অন্ধকার বুক থেকে তাড়াবো হিংসের কালোবিড়াল
এই অপেক্ষাতেই ভেঙেছি বিভক্তির দেয়াল; বিরহ অপ্রতুল
.
কণে সেজে গোপন অভিসারে অবলীলায় চেয়েছিলে মুক্তি
ইচ্ছে করলেই মায়াবী ঠোঁটে কলঙ্কের লাল উল্কি পড়িয়ে
দেহজুড়ে ডলিমদানা এঁকে, কৌমার্যকে দিতে পারতাম রেখে
অথচ এগিয়ে দিয়েছি পথে, যে পথে তোমার স্বর্গ
ঐশ্বর্যের ইতিহাস ছেড়ে, কিনেছে মৃত ফুলের নির্যাশ
.
পিরামিড হৃদয়ে চেপে রেখেছি অতীতের সব দীর্ঘশ্বাস
ঘাসহীন মাঠে গোপনে কেঁদেছে একা, সবুজ-অগ্নিশিখা
যৌবনকে উপাসনা ভেবে পবিত্রতার কাঠগড়ায় করেছি বন্দি
নাই বা টিকলো সন্ধি, নির্দিষ্ট দূরত্বে চলেছি সমান্তরাল
অন্ধকারে ফুটিয়েছি জোছনার সহস্র ফুল, পাথরকে করেছি জয়
সংশয় জেনেও অপেক্ষাবন্দরে ফেলছি নোঙর; অনন্তকাল
.
এভাবে ফিরে আসবে, যমুনার তটে, ভাবিনি কখনও
না, তুমি শূন্য নও, খোয়া যায়নি ব্যাবিলনের শূন্যোদ্যান
ঐ চোখে বিরহ নয়, হংসমিথুন এখনও জলকেলিতে ব্যস্ত
দায়গ্রস্ত কৃষ্ণচূড়া, তার সমস্ত আগুনে সাজিয়েছি ফাগুন
অসমাপ্ত প্রেম পূর্ণতার আশায় বাজাচ্ছে প্রণয় বাঁশি
আগ্রাসী সময় হাঙর পেটে নয়, হিমালয় হিমে
থমকে দিয়েছে পৃথিবীর ঘড়ি আর প্রিয়তমা অপ্সরী
.
ভিজবো, ভিজবো, ভিজবো বলে আর নয় চিৎকার
রংহীন মেঘগুলোতে হাসনাহেনার মতো বৃষ্টি অবিরত
কান পেতে শুনো, আগুন আর ফাগুনের শীৎকার
.
কী চমৎকার!
সেদিনের কামুক ঠোঁটে বৃন্দাবনের অঞ্জলি নয়, আরতি
চৌষট্টিকলার ফুলঝুরিতে উষ্ণ স্পর্শগুলো কুপোকাত
চুম্বনে চুম্বনে যাকে করেছি পাঠ , সে আমার সারথি
শুধুই আমার