সুখের ঠিকানা – উত্তম চক্রবর্তী

কতোকাল ছবি তুলি নাই
একটা চিত্র এঁকে দাওনা!
আজ খুব ইচ্ছে করছে
নতুন পোশাকে কান্তি আনি!

একঘেয়েমি কাটিয়ে যাক
একাকীত্বকে মাড়িয়ে আজ
নিষঙ্গ জীবনে খুঁজে পাই-
কিছু খুশির রসদ তাই…

এফবিতে প্রোফাইল দেব
অনলাইনে দেখবো বার্তা।
হবে চ্যাট হাসাহাসি বেশ,
মিনিটে মিনিটে সারাক্ষণ।

অনেকগুলো ছবি তুলেছি-
হয়না মনের মতো চিত্র,
যাতে আমি আমার সুখের
কথা শেয়ার করতে পারি।

তবু শেষে পেয়েছি সুন্দর
একখানা সুখের ঠিকানা,
আনন্দের কাছে ফিরে গিয়ে
আড্ডা জমাই ভালোভাবে।

তাং -১৭/০৭/১৮

উত্তম চক্রবর্তী
সৎ ও সত্যে বিশ্বাসী তিনি। তিনি মনে করেন লেখালেখি সৌখিন মনের পরিচায়ক। প্রতিটি মানুষ তার ব্যক্তিসত্তার আড়ালে কোন না কোন সুপ্ত প্রতিভা লুকিয়ে রাখে। লেখক ও তার ব্যতিক্রম নয় বলে তিনি মনে করেন। কবিতা ককটেলের লেখকদের লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে ও টুকিটাকি লেখার চেষ্টায় নিযুক্ত হয়েছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই কবিতা ককটেলকে এত সুন্দর প্রয়াসের জন্য।