ভালবাসা যদি ফিরে পাই

ভালবাসা যদি ফিরে পাই
তবে তো নাচবো ভাই
তাধিন তাধিন…

পোড়া বিড়ি দেব ছুঁড়ে ফেলে।
ফেলে দেব তামাকের শিশি
ছেড়ে দেব সব ছাইপাঁশ
তেতো জল, বিলিতি বা দিশি।

ভালবাসা যদি ফিরে পাই
তবে তো গাইবো ভাই
গলা ছেড়ে যা আসবে মনে

বাতাসকে বলে দেব আমি কত সুখি
আকাশকে বলে দেব আমি কত সুখি
পাহাড়কে বলে দেব আমি কত সুখি
তারাদের বলে দেব আমি কত সুখি।

ভালবাসা যদি ফিরে পাই
তাহলে তো ভাই
হয়ে যাব ফুল, পাখি, নদী।
ভালবাসা ফিরে পাই যদি –
নরম পালক নিয়ে
রামধনু রঙ মেখে এসে
বয়ে যাব তির-তির,
পাহাড়ের দেশে।

ভালবাসা যদি ফিরে পাই
তবে তো বাঁচবো ভাই
সমস্ত জীবন। প্রতিটা মুহূর্ত বেঁচে বেঁচে
প্রতিটা শরৎ বেঁচে বেঁচে
প্রতিটা বছর বেঁচে বেঁচে
প্রতিটা দশক বেঁচে বেঁচে
তবুও তো ভরবে না মন।
বলে যাব, ‘বড় ছোট এ জীবন।’

সুদীপ্ত বিশ্বাস
জন্ম ১৯৭৮,নদিয়ার রানাঘাটে।কবিতা লিখছেন ১৯৯২ সাল থেকে।কবির কবিতা প্রকাশিত হয়েছে শুকতারা, নবকল্লোল, উদ্বোধন, বসুমতী, কবিসম্মেলন, চির সবুজ লেখা, তথ্যকেন্দ্র, প্রসাদ, দৃষ্টান্ত, গণশক্তি ইত্যাদি বাণিজ্যিক পত্রিকা ও অজস্র লিটিল ম্যাগাজিনে। কবিতার আবৃত্তি হয়েছে আকাশবাণী কলকাতা রেডিওতে। ঝিনুক জীবন কবির প্রথম বই। ২০১০ এ প্রকাশিত হয়। এরপর মেঘের মেয়ে, ছড়ার দেশে, পানকৌড়ির ডুব, হৃদি ছুঁয়ে যায়, Oyster Life বইগুলো এক এক করে প্রকাশিত হয়েছে। দিগন্তপ্রিয় নামে একটা পত্রিকা সম্পাদনা করেন। কবি পেশাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। নদিয়া জেলার রানাঘাটের বাসিন্দা। শিক্ষাগত যোগ্যতা বি ই,এম বি এ, ইউ জি সি নেট। স্বরবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত ও মাত্রাবৃত্ত তিন ছন্দেই কবিতা লেখেন।বড়দের কবিতার পাশাপাশি ছোটদের জন্যও কবিতা লেখেন।