নদীর ধারে আমাদের গ্রাম লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

নদীর ধারে আমাদের গ্রাম
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

অজয়ের ধারে সবুজের ছায়ে আছে ছোট এক গ্রাম,
মাঝখানে তার আছে দিঘি এক তালদিঘি তার নাম।
তালদিঘির পাড়েতে তার তাল-সুপারির গাছে গাছে,
বাবুইপাখি উড়ে আসে সেথা বাসা বাঁধে আর নাচে।

গ্রামসীমানায় পথের দুধারে হেরি সবুজ গাছের সারি,
রাঙাপথ ধরে লাল ধূলো উড়ে ছুটে চলে গরুর গাড়ি।
পথের দুধারে বট-অশ্বত্থগাছ, আছে কাঞ্চনতলার মাঠ,
আর কিছু দূরে সোজপথ ধরে দেখি অজয়নদীর ঘাট।

অজয় নদীর ঘাটের কাছে বন-শালিকেরা করে খেলা,
গাঁয়ের বধূরা জল নিয়ে যায় পড়ে আসে যবে বেলা।
সোনার আলোয় ভরে নদীচর সোনালী সূর্য বসে পাটে,
সোনালী কিরণ ছড়িয়ে পড়ে হেথা অজয় নদীর ঘাটে।

দূরের গ্রামে জ্বলে ওঠে দীপ বাজে দূরে সাঁঝের সানাই,
অজয়নদীর ঘাটে চাঁদতারা হাসে ফুটফুটে ঐ জোছনায়।
অজয় নদীর ধারে আমাদের গ্রাম, পাথরচুড় তার নাম,
গাঁ যে আমার, মাটি আমার, সে আমার সুখের স্বর্গধাম।