ধর্ষণ

0
48

এক নিস্তব্ধ শীতের রাতে,
একাকিত্বকে সঙ্গে করে
একলা নিঝুম পথে হেঁটে চলেছে,
একটি মেয়ে ।

অন্ধকারের বুক চিরে ,
হাজারো আশার সপ্ন নিয়ে ,
সে চলেছে
এক চেনা গলির মধ্য দিয়ে।

বুকভরা সপ্ন আর ,
মনভরা আশার সাথে
হেঁটে চলেছে বাড়ির পথে,
আজ সে প্রথম মাইনে পেয়েছে।

বাড়িতে তার পুঙ্গ বাবা আর
ছোট্ট বোনের মুখ চেয়ে
সে বাড়তি কাজ করে বাড়ি ফেরে,
তাই আরকি এত দেরি।

তবে সেদিনের রাতটা ছিল
কিরকমই ছমছমে ,
মনে‌ হচ্ছিল
পিছনে কে যেন অনুসরণ করছে।

তবু সে হেঁটে চলেছে আনমনে ,
উদ্দেশ্য একটাই
বাড়িতে যে তাকে যেতেই হবে
বাপ-বোনের কাছে ।

চলছিল বেশ ভালোই
হঠাৎ যেন কে !
হাতটা ধরে হেঁচকা টান
দিয়ে বাদ সাধল ।

কে তোমরা ?
আমার পথে বাধা দিচ্ছ কেন ?
উত্তর এল
তোমার “নাগর” ।

পিছন থেকে কে যেন ,
মুখ চেপে ,
টানতে টানতে নিয়ে গেল
পোড়া বাড়িটার দিকে ।

কিছুক্ষণ নিস্তব্ধতার পর
শোনা গেল
এক বিকট্ গোঙানি ,
তারপর সব শান্ত ।

আজ সে ধর্ষিতা ,
সমাজের চোখে
লাঞ্ছিত পতিতাদের
একজন ।

পরদিন অনেক
খোঁজা-খূজির পর
পাওয়া গেল এক
নির্জিব নিথর দেহ ।

কিছুদিন এই নিয়ে চলল
বিশাল প্রতিবাদ ,
“কী , কেন , কীসের জন্য”
বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে ।

কিছুদিন শান্ত,

তারপর আবার সেই নিঝুম-নিস্তব্ধ রাত
ফিরে আসে ,
পুনরায় কাউকে হাতছানি দিয়ে
পিছু করে।।