তুমি রাধা

ঘুঁটে কুড়ানির আগুনেই রোজ ভুড়ি ভোজ
জেলেদের বাহারি মাছে চচ্চড়ির স্বাদ
মেটায় রসনার আহ্লাদ, কে রাখে কার খোঁজ
.
দুপুরের রোদে পুড়ে খাক, বর্ষার হাঁকডাক
মরিচপোড়া আর পাটশাক আহারে কি মজা
শেষপাতে দৈ আর গজা গৃহস্থ হতবাক
.
রুপালি জোছনা ঝোপের আড়ালে ভেজায় জোনাকি
বাদুরের আদরে ছিন্নভিন্ন একাকী, নামে বৃষ্টি
অন্তর্দৃষ্টিতে তামাটে পাতায় তারই সুখচিহ্ন আঁকি
.
যার সাথে যার ভালোবাসা খুঁজে নেয় তার বাসা
দুইয়ে দুইয়ে দুই প্রেমসূত্রে বুকে সেই বীজ রুই
দেয়ালে দেয়ালে হতাশা তবে কি মিটবে না আশা
.
শূন্য ঘরে ফিরে গেলে পিছু ডেকো না পথিক
জানালার শিক ধরে আর দাঁড়াবো না কখনও
যে বুকে আগ্নেয়গিরি এখনো, সে অচেনা নাগরিক

.
তৃষ্ণার্ত চোখনদীতে হাজার নক্ষত্রের আকুতি
পেলে অনুমতি, ঠোঁটের আবিরে সাজাবো
ক্ষুধার্ত মনে সারথিকে বুকে জড়াবো
মানবো না ব্যবধান, মানবো না তার আত্মাহুতি
.
একদিন না একদিন প্রেমডোরে পড়বে বাঁধা
আমি হবো আরব্যরজনীর মজনু আর তুমি রাধা