চারভুতো – ৩ – হিমেল কবি নুরইসলাম নুর;সংকলন:(পৌরাণিক সাহিত্যে পদাচরণ)

0
2

কিছু না বলেই-
আমি বাড়ির পিছনের খিড়কি দিয়ে বেরিয়ে এলুম।সবে ডানে মোর নিয়েছি,এবার থমকে দাড়ালুম,বাপরে! এত বড় ঝার।আজ কতদিন হলো নানুর বাড়ি আসি নি,বছর দু-তিন তো হবেই বটে।আর আজ নিয়ে সাত সাত দিন হলো এসেছি,এদিকটায় একবারের জন্যও তাকায় নি।এবার সত্যিই নিজের উপর খুব,খুবিই রাগ হচ্ছে।কেনই যে এলেম কেনই বা বাজিটা ধরলাম।

এতকিছুর ভিতরেও ছোটবেলার কথা গুলো মনে পড়ে যায়।সত্যিই ছেলাবেলাটা বুঝি এরকমই,আর কেউ ভুলুক বা নাই ভুলুক,আমি ছেলেবেলার কথা ভুলে গেছি এমন দু জন ব্যাক্তি আমার সামনে দাড়াবে।

ইস কতবার,কতদিন আমরা হেথায় ধুলোবালি খেলেখছ।
ভুলতে চাইলেও পারি নে;
গ্রামের সব ছেলেরা চুয়ে আসত।আর বর-বউ খেলার ব্যাপারটা?
জানোই বুঝি?সবারিই এমনটা হয়…।

সেবারিই তো,খেলতে খেলতে সাজ লেগেছে,আর অমনি সুজোগ বুঝে শিবু আর বাবলি আমায় ভুতের ভয় দেখিয়ে দিল।ছুটে গিয়েছি নানুর কাছে,সারা পাই নি।তারপর মামি-মা,মামি-মা খুব ভালোবাসত,জরিয়ে কোলে তুলে নিলে।আহা,সোনাটার যদি কিছু হয়।রাগের মাথায়,বাবলিকে দু চার লাগিয়েও দিয়েছে।পাশেই মা,ছুটে এসেই হেচকা টান,আর অমনি চুমোয় ভরিয়ে দিলে।আহা,এ কি জননীর মায়া,মার চেয়ে মাসির দরদ,হিংসেই পুড়ছি।
বা রে আমাকেই বোকা দেওয়া,গা রি রি করছে।

এবার হাসতে শুরু করলুম,ভাবছেন কেন এই অপ্রত্যাশিত হাসি;বলছি তাহলে:

দেখুন না,লিখতে বসেছি ভুতের গল্প আর ও দিকে যৌবনের বাধ পেরিয়ে শৈশব ডাকছেই।আচ্ছা বলিই না
আমার শৈশব।আর যাইহোক,সাহিত্য নাই বা হলে;
এবার নাহয় খচিত পাথরে রচিত খোক শৈশবরচনা;

তো হে,এদিকটা আমাদের গা রি রি করছে।আমাদের বলতে আমি আর শিবু বোকা খেলাম আর বাবলি তো লাল।মাথা নিচু করে আছি অনেক ক্ষন,এবার একটু মাথা তুলে উকি দিয়েছি।গায়ের সমস্ত লোম খাড়া হয়ে গেল,বুঝি গিয়ে ছিরে ফেলি।

আরে চিকনে আর মটুটা;দু জনে একহাত মুঠম করে অপর হাতের তালুতে কেমন করে কিল মারছে,পায়ের গোড়ালি দিয়ে পা ডলছে।বুঝতে পারছিলুম নে।তবুও কেন জানি গায়ের লোপ খাড়া হচ্ছিল।ততক্ষণে বুঝতে পেরিছুল যে নির্ঘাত আমাদের ভেংগাচ্ছে।

তবে হে,আমরাও ছেড়ে দেবার পাত্র নয়।চোখে পানি মুছে জোট পাকালুম।কাল হবে ওদের সাজা:

প”রের দিন ওদের আমতলায় ডেকেছি,বাবলি দু টো আমোও পেরেদিয়েছিল।তারপরেই শুরু:
পাজকালো করে আচ্ছা পিটিয়েছি।তবে হে,আমি ধরেই ছিলাম মুটু টাকে মারবার সাহসে জোগায় নি।চিকনেটাকে একটা লাথি মেরেছিলুম বুঝি,ঠিক মনে পড়ছে না।

বেলা তো কেটেই গেল,ঠিক আসরের আজান পড়েছে এমন সময়,আনাগোনা পেলুম ওরা মাকে বিচার দিবে।
আমি তো শুনেই,এক প্রকার থমমত খেয়ে গেলুম।

তবে বিচার এসেছিল কী…ু

Nurislam Nur
আমি হিমেল(সাহিত্যে ব্যাবহারের জন্য)।গনিত,ইংরেজি আর বিঙ্গানের মতো কঠোরোতার মাঝেই,জন্ম হয় আমার সাহিত্য চর্চার এক অতৃপ্ত অনুরাগ।আর অজান্তেই রচনা করে ফেলি;প্রেম,হাসি-কান্না,বিরহের এক বিশাল সম্রাজ্য।যার সিংহ ভাগই মানব-প্রেমের এক চিরায়ত উপখ্যান।আর তার সুচ সমতল ভাগে,ফুটে উঠেছে,মানব মাঝারে থাকা চির নিদ্রায়িত এক হিংস্র দানবের হুংকার। এ পর্যন্ত আমার রচিত: গল্পগ্রন্থ:পৌরাণিক সাহিত্যে পদাচরন,আমি অনিয়ম,বিদিশা,ডেকে হলো সারা,নিরাক পরা গ্রাম। কাব্য গ্রণ্থ:হিমেল ও শীথিল সাহিত্য সমগ্র,আমার কিছু কবিতা,প্রেম নিবাশ,দুপুর দগ্ধ পায়ে। বিঙ্গান ভিত্তিক গ্রন্থ:অমীমাংসিত সুত্রাবলী,রহস্য। নাটক:নীলিমা। উপন্যাস:শেশ কবে। প্রবন্ধ:মাণব শাস্ত্র,লেলিহান পথ। তাছারা রয়েছে কিছু অগোছালো কবিতা আর অসমাপ্ত কয়েকখানা গ্রন্থ। বোধ করি,নিয়তই গ্রন্থের নাম উল্লেখ্য পুর্বক লেখা গুলি "কবিতা ককটেল"পাতায় শেয়ার করবো। ...........আপনিও আপনাকে তুলে ধরুন,হয়তো বা আপনার মাঝেই লুকিয়ে আছে সে সুপ্ত প্রতিভা।নিশ্চয় এতে দেশ,জাতি এবং আপনার মঙ্গল রয়েছে।